শরীয়তপুরে চুরি মামলায় ৫ জন গ্রেপ্তার

Any Akter
শরীয়তপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৮:৫১ অপরাহ্ন, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ৯:৩৫ অপরাহ্ন, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

শরীয়তপুর সদর উপজেলার শৌলপাড়া ইউনিয়নের গয়ঘর খলিফাকান্দি এলাকা থেকে চুরি হওয়া বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকারসহ সংঘবদ্ধ চোর চক্রের ৫ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পালং মডেল থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের তথ্যের ভিত্তিতে উদ্ধার করা হয়েছে প্রায় ৮ ভরি চোরাই স্বর্ণালংকার, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৬ লাখ টাকা।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় পালং মডেল থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ শাহ আলম।

আরও পড়ুন: গাজীপুর প্রেসক্লাবের নির্বাচন ঘিরে সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন

পুলিশ সূত্রের খবর, গত ২২ আগস্ট বিকেলে গয়ঘর এলাকার ওই বসতবাড়ির মালিক ঢাকায় যান। এই সুযোগে ২৩ আগস্ট গভীর রাতে দরজার তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চোর চক্রটি। তারা ঘরে থাকা ট্রাঙ্ক ভেঙে নগদ ৩৪ হাজার ৫০০ টাকা এবং গলার হার, চেইন, কানের দুল, হাতের বালাসহ প্রায় ১৫ লাখ ১৪ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার লুটে নেয়। এ ঘটনায় ২৭ আগস্ট ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে পালং মডেল থানায় একটি চুরি মামলা দায়ের করা হয় (মামলা নং- ৪৪)।

মামলার পর তদন্তকারী দল আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় শৌলপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে চক্রের সদস্য আতাহার মাদবর (৩৬), সুমন সরদার (৩০), মো. রুবেল বেপারী (৩০), মো. সাগর খলিফা (২৮) ও শিপলু খান (৪৫)-কে গ্রেপ্তার করে।

আরও পড়ুন: নিত্যপণ্যের বাজারদর নিয়ে এমপি মান্নানের লিফলেট বিতরণ

পরবর্তীতে গ্রেপ্তার আতাহার মাদবরের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী শৌলপাড়া বাজারের ‘সুস্মিতা শিল্পালয়’ ও তার বাসা থেকে চোরাই স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া তদন্তে প্রাপ্ত অপর সহযোগী সুমন পালের (৩২) তথ্যের ভিত্তিতে গঙ্গানগর স্বর্ণকার পট্টির ‘মা জুয়েলার্স’ ও তার বাসায় অভিযান চালিয়ে গলানো স্বর্ণসহ বাকি অলংকার জব্দ করে পুলিশ। উদ্ধারকৃত অলংকারের মধ্যে রয়েছে গলার নেকলেস, চেইন, কানের দুল, আংটি, ব্রেসলেট ও গলানো স্বর্ণের টুকরো।

ওসি মোঃ শাহ আলম জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা বিভিন্ন জেলায় সক্রিয় একটি চিহ্নিত ও সংঘবদ্ধ চোর চক্রের সদস্য। মামলার ৬ নম্বর আসামি রবিন খলিফা (২৭) বর্তমানে পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তার এবং অবশিষ্ট মালামাল উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হবে।