কবীর-লালনের ভাব ও দর্শন নিয়ে ‘আলোকপাত’ পর্বে সম্মাননা পেলেন চেয়ারম্যান সৈয়দ ফাইয়াজ হাসান বাবু

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:২৪ পূর্বাহ্ন, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ৮:৫০ পূর্বাহ্ন, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

কবীর ও লালনের ভাব, দর্শন, মানবতাবাদ এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনা নিয়ে আয়োজিত বিশেষ আলোচনা পর্ব ‘আলোকপাত’-এ বিশেষ সম্মাননা পেয়েছেন চেয়ারম্যান সৈয়দ ফাইয়াজ হাসান বাবু।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান ও ভারতীয় হাইকমিশনার শ্রী দীনেশ ত্রিবেদী। তাঁদের হাত থেকে চেয়ারম্যান সৈয়দ ফাইয়াজ হাসান বাবু সম্মাননা গ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন: লালমনিরহাটে ১৫ বিজিবির অভিযানে ৭ লাখ ৬০ হাজার টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ

আলোচনা পর্বে কবীর ও লালনের জীবন, দর্শন, মানবিক মূল্যবোধ ও সমাজভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। বক্তারা বলেন, ভারতীয় উপমহাদেশের লোকজ সংস্কৃতি, মানবিক মূল্যবোধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার বিকাশে কবীর ও লালনের দর্শন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তাঁদের দর্শনের মূলকথা ছিল মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি নয়; বরং মানবিকতা, সাম্য, ভালোবাসা ও সম্প্রীতির বন্ধন গড়ে তোলা।

বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে ধর্মীয় ও সামাজিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে কবীর ও লালনের মানবতাবাদী দর্শন নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা জরুরি। তাঁদের গান, বাণী ও জীবনদর্শন এখনো অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় মানুষকে অনুপ্রাণিত করে।

আরও পড়ুন: উলিপুরে প্রতিবন্ধী ও অসহায়দের মাঝে এককালীন আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ

‘আলোকপাত’ পর্বে কবীর ও লালনের দর্শনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, মানবমুক্তির চিন্তা, ধর্মীয় গোঁড়ামির বিরুদ্ধে তাঁদের অবস্থান এবং সমাজে সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় তাঁদের দর্শনের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে আলোচনা হয়।

অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে চেয়ারম্যান সৈয়দ ফাইয়াজ হাসান বাবুকে সম্মাননা দেওয়া হয়। এমপি অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান ও ভারতীয় হাইকমিশনার শ্রী দীনেশ ত্রিবেদী তাঁর হাতে সম্মাননা তুলে দেন।

সম্মাননা গ্রহণের পর সৈয়দ ফাইয়াজ হাসান বাবু আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, কবীর ও লালনের দর্শন শুধু অতীতের কোনো বিষয় নয়; মানবিক ও সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজ গঠনে তাঁদের চিন্তা আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তি, সংস্কৃতিকর্মী, শিল্পী, সাহিত্যপ্রেমী ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন। কবীর-লালনের মানবতাবাদী দর্শন আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করার মধ্য দিয়ে ‘আলোকপাত’ পর্বের আয়োজন শেষ হয়।