উলিপুরে দলদলিয়া ভূমি অফিসের তহশিলদারের বিরুদ্ধে ১১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

Sadek Ali
মমিনুল ইসলাম, উলিপুর
প্রকাশিত: ৭:৫৯ অপরাহ্ন, ২৭ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ৯:০২ অপরাহ্ন, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার দলদলিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশিলদার আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে জমির নামজারি ও দীর্ঘমেয়াদী খাজনা বাবদ ১১ লাখ টাকা আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগী মো. মিজানুর রহমান গত ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং তারিখে উলিপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

​অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ও তাঁর অন্যান্য শরীকগণের মোট ৩৫ একর ৩১ শতক জমির নামজারি ও খাজনা পরিশোধ নিয়ে দলদলিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশিলদার আহসান হাবিবের সাথে আলোচনা হয়। ওই সময় তহশিলদার ৩৬ বছরের বকেয়া খাজনা বাবদ ১১,০০,০০০ (এগারো লাখ) টাকা দাবি করেন। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী ও তাঁর শরীকগণ সম্মত হয়ে ২০২২ সালের ১৪ মে থেকে বিভিন্ন কিস্তিতে মোট ১১ লাখ টাকা দলদলিয়া তহসিল অফিসে গিয়ে তহশিলদার আহসান হাবিবকে প্রদান করেন।

আরও পড়ুন: কুলাউড়ায় বাণিজ্য মেলা না করার আহবান ব্যবসায়ী সমিতির

​অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, টাকা গ্রহণের পর তহশিলদার ওই টাকার কোনো সঠিক রসিদ বা সরকারি কোষাগারে জমা না দেখিয়ে মাত্র ১টি খতিয়ানের অবহেলার খাজনা পরিশোধ দেখিয়ে নামজারি সম্পন্ন করেন এবং বাকি ১১ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে অন্যত্র বদলি হয়ে চলে যান। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী জমির কাগজপত্রে গরমিল দেখতে পেয়ে তহশিলদারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তাঁকে এড়িয়ে চলা হয়। সম্প্রতি দলদলিয়া ভূমি অফিসে গিয়ে তহশিলদারের কাছে টাকা ফেরত চাইলে তিনি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং ভুক্তভোগী ও তাঁর সাথে থাকা লোকজনকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে অফিস থেকে তাড়িয়ে দেন।

​এ বিষয়ে স্থানীয় সাক্ষী হিসেবে মো. আব্দুল মজিদ, মো. আব্দুল আজিজ, মো. আব্দুল জব্বার ও মো. আলমগীর হোসেনসহ অনেকের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার তহশিলদারের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে আত্মসাৎকৃত অর্থ ফেরত ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। 

আরও পড়ুন: টুপটুপে নিহত ১০ জনের মরদেহ হস্তান্তর

ইউনিয়নের ভূমি ইউনিয়ন কর্মকর্তা অভিযুক্ত তহশিলদার এর সাথে কথা হলে তিনি জানান আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ হয়েছে এটি আমি জেনেছি এ বিষয়ে উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা মেহেদী হাসান জানান অভিযোগটি আমি পেয়েছি বিষয়টি তদন্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি তদন্ত রিপোর্ট আসলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।