ডাকাতির প্রস্তুতির সময় র‍্যাব সদস্যসহ পাঁচজন গ্রেপ্তার, পিস্তল হ্যান্ড কাফ উদ্ধার

Shahrier Islam Pallab
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৮:২৩ অপরাহ্ন, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ৮:২৪ অপরাহ্ন, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বনানী এলাকায় একটি হাইয়েস মাইক্রোবাসে অবস্থান নিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নেওয়ার সময় ভুয়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি চক্রকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) গুলশান বিভাগ। অভিযানকালে তাঁদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন, ওয়াকিটকি এবং বাংলাদেশ পুলিশের মনোগ্রামযুক্ত এক জোড়া হ্যান্ডকাফ উদ্ধার করা হয়।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চালানো ওই বিশেষ অভিযানে চক্রটির ব্যবহৃত একটি হাইয়েস মাইক্রোবাস, এক রোল কালো স্কচটেপ ও শপিং ব্যাগ জব্দ করা হয়েছে। ডিবি সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তার হওয়া পাঁচ সদস্যের মধ্যে একজন বর্তমানে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নে (র‍্যাব) কর্মরত রয়েছেন।

আরও পড়ুন: মিরপুরে ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ১৪৭ জন

বৃহস্পতিবার(৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে বনানী থানাধীন ‘এ’ ব্লকের ৪ নম্বর রোডের খায়ের প্যালেসের সামনে এ অভিযান চালানো হয়। প্রায় ৪৫ সদস্যের সমন্বয়ে পরিচালিত অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয় মো. মাসুদ রানা (২৯), মো. রাজিব হাওলাদার (৩০), হাফিজুল মাতব্বর (২৪), মোহাম্মদ শাকিল হোসেন (২৪) ও মো. বাদলকে (৪২)। 

ডিবি সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তার মাসুদ রানা র‍্যাবের সৈনিক। তিনি র‍্যাব সদর দপ্তরের ডগ স্কোয়াড বিভাগে কর্মরত।

আরও পড়ুন: গুলশানে ভুয়া ডিজিএফআই কর্মকর্তা আটক

এ বিষয়ে জানতে চাইলে র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত আছি। এই বিষয়টি আজকে সকালেই ঘটেছে এবং সাথে সাথে ডিবি কর্তৃক তাঁকে (মাসুদ রানা) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষ করে তাঁকে র‍্যাব কর্তৃপক্ষের হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

ইন্তেখাব চৌধুরী আরও বলেন, এ বিষয়ে র‍্যাবের পক্ষ থেকে একজন মেজরের নেতৃত্বে একটি তদন্ত পর্ষদ গঠন করা হয়েছে। তিনি অনুসন্ধান করে দেখবেন। ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে অবশ্যই যথাযথ শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।

রাজধানীর মিন্টো রোডে এক সংবাদ সম্মেলনে ডিবির প্রধান ও অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বনানী থানায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। তাঁরা কোনো সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের সঙ্গে জড়িত কি না, উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের উৎস এবং তাঁরা আগে কোনো অপরাধে যুক্ত ছিলেন কি না—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।