অভিযানেও থামছে না কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য
* দেশে বর্তমানে সক্রিয় রয়েছে ৩৮৮টি কিশোর গ্যাং
* কিশোর গ্যাংয়ের সংখ্যা বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি
আরও পড়ুন: পৈশাচিক বর্বরতা: স্ত্রীসহ পুলিশ কনস্টেবল গ্রেপ্তার
* দেশে কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণে আলাদা কোনো আইন নেই
* কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়ার প্রভাব সমাজেও পড়ছে — অধ্যাপক ড. তৌহিদুল হক
আরও পড়ুন: আজিমপুরে বাসে আগুন দেওয়ার চেষ্টা, হাতেনাতে আটক ১
* কিশোর গ্যাং সংস্কৃতি বৃদ্ধিতে বিদ্যমান রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও আইনের দুর্বলতাও দায়ী — অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ওমর ফারুক
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একের পর এক বিশেষ অভিযান, কঠোর হুঁশিয়ারি আর নিয়মিত গ্রেফতারের কোনো কিছুতেই লাগাম টানা যাচ্ছে না কিশোর গ্যাংয়ের। পাড়া-মহল্লার অলিগলি থেকে শুরু করে রাজপথ, সর্বত্রই এখন এক আতঙ্কের নাম এই কিশোর অপরাধী চক্র। মাদক গ্রহণ ও কারবার, চুরি, ছিনতাই থেকে শুরু করে খুন-খারাপির মতো জঘন্য অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে কিশোরদের একটি বড় অংশ। প্রশাসনের সাঁড়াশি অভিযানের মুখেও কেন বারবার বেপরোয়া হয়ে উঠছে এই গ্যাংগুলো, তা এখন সমাজবিজ্ঞানী ও অপরাধ বিশেষজ্ঞদের ভাবিয়ে তুলছে। সম্প্রতি খুলনায় ইশতিয়াক শাহরিয়ার অমিত হত্যার পর কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা নতুন করে আলোচনায় এসেছে। এর মধ্যে গত বুধবার সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কুমিল্লার ১৮টি থানায় একযোগে অভিযান চালিয়ে পুলিশ ৬২৪ জনকে আটক করেছে।
যাচাই-বাছাই শেষে গত বৃহস্পতিবার ৪৫১ জনকে মুচলেকাঁয় অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি ১৭৩ জনকে বিভিন্ন অভিযোগে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তবে ১৭৩ জনের সবার বিরুদ্ধে কিশোর গ্যাংয়ে সম্পৃক্ততার অভিযোগ পাওয়া গেছে কি না, তা নিশ্চিতভাবে বলেনি পুলিশ। কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুর রহমান বলেন, গত বছরের ৩০ নভেম্বর তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে কিশোর গ্যাংয়ের ২৫০ জনের বেশি সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি বলেন, অনেকে দ্রুত মুক্তি পেয়ে আবার একই ধরনের অপরাধে ভড়াচ্ছে। অনেকের মা-বাবাকে ডেকে মুচলেকাও নেওয়া হয়েছে।
তবে দ্রুত মুক্তি পাওয়ার ক্ষেত্রে পুলিশেরও দায় আছে বলে মনে করেন জেলার সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) জহিরুল হক। তাঁর বক্তব্য, মামলার এজাহারে অপরাধের সুনির্দিষ্ট বিবরণ ও আসামির আগের অভিযোগের তথ্য না থাকলে বড় অপরাধে জড়িত ব্যক্তিও আইনি প্রক্রিয়ায় সুবিধা পেয়ে পারেন। বাংলাদেশে কিশোর গ্যাং নিয়ে আলাদা কোনো আইন নেই। তবে শিশু আইন রয়েছে। এ আইনে ১৮ বছরের কম বয়সি কেউ অপরাধ করলে তাকে সাধারণ কারাগারে পাঠানো যায় না। তাকে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর বিধান রয়েছে। দেশে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্র রয়েছে তিনটি। এর মধ্যে দুটি ছেলেদের এবং একটি মেয়েদের জন্য। শিশু আইন অনুযায়ী, ৯ থেকে ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত কিশোরদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কিশোর অপরাধের আওতায় পড়ে। অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তিন বছর থেকে সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত আটকাদেশ বা বিশেষ সংশোধনের বিধান রয়েছে।
কুমিল্লায় বেড়েছে মাদক বিক্রি-সেবন, ছিনতাই ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে ১৩ বছরের কিশোর ছেলে অপ্রীতিকর হত্যাকাণ্ডে তিলে আলোড়িত জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। একদিকে খুন, অন্যদিকে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি। কুমিল্লায় অপরাধের এই চিত্র প্রভাব ফেলছে মানুষের দৈনন্দিন জীবনেও। গত নয় মাসে ১০৪টি হত্যাকাণ্ডের তথ্য দিয়েছে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটি। প্রতি মাসে গড়ে খুন ১১টির বেশি। একই সময়ে চুরি ৩৬৮টি, ডাকাতি ৩৭, অপহরণ ১৫ এবং ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ১৭টি। অপমৃত্যুর ঘটনা ৪৫৭টি। অপরাধের এই চিত্রের মধ্যেই আলোচনায় এসেছে মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, কোটবাড়ী ও লালমাই পাহাড় ঘিরে মাদকসেবন, কিশোরদের সঙ্ঘবদ্ধতা, আধিপত্য বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের পর কিশোর-তরুণদের অপরাধে জড়িয়ে পড়ার বিষয়টিকে হতবাক করেছে মানুষকে। স্থানীয়দের মধ্যে একজন বলেন, 'গত ঘটনাই ঘটুক, দুই দিন পর নতুন সিন্ডিকেট আসে। এসব গডফাদাররা ছোট ছোটগুলোকে ক্লিয়ার করে দেয় এবং এসব কিশোর গ্যাংরা সাহস পায়, মাদক সিন্ডিকেট সাহস পায়।' আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে ঢাকাসহ সারা দেশে সক্রিয় রয়েছে ৩৮৮টি কিশোর গ্যাং। এসব গ্যাংয়ের সদস্য অন্তত ৪ হাজার ২৫০ জন। সবচেয়ে বেশি কিশোর গ্যাং রয়েছে ঢাকা মহানগরে। এখানে ১৪৯টি গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িত ১ হাজার ৮১২ জন। ঢাকার বাইরে সলিমং রয়েছে ২২টি গ্যাং, যেগুলোর সদস্য প্রায় ২ হাজার ৫৫০ জন। ঢাকার পর সবচেয়ে বেশি কিশোর গ্যাং রয়েছে চট্টগ্রাম মহানগরীতে-৮৮টি। এছাড়া সিলেট মহানগরে ১৫টি, রাজশাহী ও গাজীপুর মহানগরে ১৩টি করে এবং খুলনা মহানগরে সাতটি গ্যাং সক্রিয় রয়েছে। অন্যান্য মহানগর ও জেলায় রয়েছে আরো ৮১টি কিশোর গ্যাং।
এসব গ্যাংয়ের সদস্যরা ছিনতাই, হামলা, মাদক সেবন ও কারবারসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রায়ই সংঘাতে জড়ানোর পাশাপাশি খুনের মতো গুরুতর অপরাধেও তাদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে প্রভাব বিস্তার ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে কিশোরদের ব্যবহার করা হয়েছ বলেও অভিযোগ রয়েছে। ক্ষেত্রবিশেষে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের হাতিয়ার হিসেবেও কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের ব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া যায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেক কিশোরের অপরাধে জড়িয়ে পড়ার শুরু হয় আড্ডা, মাদক সেবন, ছোটখাটো চুরি কিংবা মারামারি দিয়ে। পরে সংঘবদ্ধ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারের প্রবণতা তৈরি হয় এবং হাতে আসে দেশীয় অস্ত্র ও মাদক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের শক্তি ও দুঃসাহস প্রদর্শনের প্রবণতাও অনেক ক্ষেত্রে অপরাধে উৎসাহ জোগায়। এসব গ্যাংয়ের পেছনে থাকা প্রাপ্তবয়স্ক অপরাধীরা কিশোরদের অপরিণততা ও আইনি ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতাকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করছে।
কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়ার প্রভাব সমাজেও পড়ছে বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল হক। তিনি বলেন, 'দেশের কিশোরদের একটি অংশ ক্রমেই অপরাধ ও সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। মাদক সেবন ও কারবার, চুরি, ছিনতাই থেকে শুরু করে হত্যার মতো গুরুতর অপরাধের তাদের সম্পৃক্ততা দেখা যাচ্ছে। পারিবারিক দিকনির্দেশনা, নজরদারি ও সহায়তার অভাবে অনেক কিশোর অপরাধের চক্র থেকে বেরিয়ে আসতে পারছে না। তাদের অসহায়ত্ব ও সামাজিক অনগ্রসরতাকে কাজে লাগিয়ে একশ্রেণীর স্বার্থান্বেষী ও অপরাধী ব্যক্তি কিশোরদের সংগঠিত করে গ্যাং গড়ে তুলছে এবং বিভিন্ন অপরাধে ব্যবহার করছে।'
তিনি আরও বলেন, 'শুধু কিশোরদের গ্রেফতার বা আইনের আওতায় আনার মধ্যে সমাধান সীমাবদ্ধ রাখলে হবে না। যারা তাদের ব্যবহার করে গ্যাং গড়ে তুলছে ও অপরাধে পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে, তাদেরও চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে অপরাধে জড়িয়ে পড়া কিশোরদের বয়স ও পরিস্থিতি বিবেচনায় কাউন্সিলিং, শিক্ষা, কারিগরি প্রশিক্ষণ, পরিবারভিত্তিক তদারকি ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক উদ্যোগের সমন্বয় ঘটাতে পারলেই তাদের অপরাধের পথ থেকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব।'
কিশোর গ্যাংয়ের পেছনে কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সদর দফতরের সহকারী মহাপরিদর্শক (মিডিয়া) এআইটিএম শাহাদাত হোসাইন। তিনি বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। চিহ্নিত গ্যাং ও তাদের সদস্যদের তথ্য সংগ্রহ করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়ার কারণগুলো চিহ্নিত করে প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে। স্কুল-কলেজের শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সমন্বয় করে সচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। কোনো কিশোর অপরাধে জড়িয়ে পড়লে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার পাশাপাশি সংশোধন ও পুনর্বাসনের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। ২০২২ সালের শেষ দিকে পুলিশের এক প্রতিবেদনে সারা দেশে ১৭৩টি কিশোর গ্যাং থাকার কথা উল্লেখ করা হয়। এর মধ্যে রাজধানীতে ৫৬টি, চট্টগ্রাম শহরে ৫৭টি এবং মহানগরের বাইরে ঢাকা বিভাগে ২৬টি কিশোর গ্যাং ছিল। চার বছরেরও কম সময়ে সারা দেশে কিশোর গ্যাংয়ের সংখ্যা বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে সারা দেশে কিশোর গ্যাংয়ের সংখ্যা ৩৮৮টি। এসব গ্যাংয়ের সক্রিয় সদস্য চার সহস্রাধিক। অপরাধ বিশেষজ্ঞদের মতে, এক দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশে কিশোর গ্যাংয়ের উত্থান হলেও রাষ্ট্র তাদের প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারেনি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ এলাকার সবাই জানে কারা এসব কিশোরকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছে। কিন্তু ভয়ে কেউ মুখ খুলতে পারছে না। এতে সমাজে ভয়ের সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে। এ অবস্থা থেকে বের হতে না পারলে আগামী দিনে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে আশঙ্কা করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, কিশোরদের বিভিন্নভাবে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের ক্ষেত্রে আইনের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। একজন কিশোর অপরাধীকে প্রচলিত জেলখানায় দেওয়া হয় না। শিশু আইন অনুযায়ী কিশোরদের অপরাধের শাস্তি ধরন ও মাত্রাও ভিন্ন। ফলে সংঘবদ্ধ অপরাধীরা এ সুযোগ সুক্ষ্মভাবে কাজে লাগাচ্ছে।
মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ওমর ফারুক বলেন, শিশু-কিশোরদের বয়স বিবেচনায় আইনের সুযোগ নিয়ে সমাজের প্রভাবশালীরা তাদের সহজ টার্গেটে পরিণত করছেন। কিশোর গ্যাং সংস্কৃতি বৃদ্ধির পেছনে দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও আইনের দুর্বলতাও দায়ী বলে মনে করেন তিনি। ড. ওমর ফারুক বলেন, অল্প বয়সের কারণে কিশোরদের মধ্যে হিরোইজম কাজ করে। এলাকার তথাকথিত 'বড় ভাইদের' কাছ থেকে তারা নগদ অর্থসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পায়। পরিবারের পক্ষে যা দেওয়া সম্ভব হয় না, এসব কিশোর সহজেই তা পেয়ে যায়। তার মতে, অল্প কিছু দিয়েই শিশু-কিশোরদের আয়ত্তে আনা যায়। বিনিময়ে তাদের দিয়ে বড় ধরনের অপরাধ করানো সম্ভব। কিন্তু এসব কিশোর অপরাধীর পেছনের মদদদাতা বা গডফাদারদের কখনোই ধরা হয় না। বিশ্বের অনেক দেশেই শিশু-কিশোরদের অপরাধে প্রযুক্ত করার শাস্তির বিধান রয়েছে।
তিনি বলেন, আইনের পরিবর্তন এখন সময়ের দাবি। বয়সের দোহাই দিয়ে আইনের ফাঁক গলে কেউ যাতে অপরাধ করে পার পেয়ে যেতে না পারে, রাষ্ট্রকে তা দেখতে হবে। একই সঙ্গে মদদদাতাদেরও শাস্তি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
এই পত্রিকার কাটিংয়ের বিষয়বস্তু নিয়ে আপনার কি কোনো নির্দিষ্ট প্রশ্ন বা তথ্য জানার আছে? অথবা এর কোনো অংশ কি অনুবাদ বা বিশ্লেষণ করতে হবে? জানালে সাহায্য করতে পারি।





