এডিবির ১০০ কোটি ডলার ঋণে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল
বাজেট সহায়তা কর্মসূচির আওতায় এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) থেকে ১০০ কোটি ডলার ঋণ পেয়েছে বাংলাদেশ। এ অর্থ ছাড়ের ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে ৩৫ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, রোববার (১৪ জুন) দিনশেষে দেশের গ্রস বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৫ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন ডলারে। গত বৃহস্পতিবার রিজার্ভ ছিল ৩৪ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আরও পড়ুন: দেশের বাজারে আবারও বাড়ল সোনার দাম
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্ধারিত ব্যালান্স অব পেমেন্টস অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট পজিশন ম্যানুয়াল (বিপিএম৬) অনুযায়ী দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বর্তমানে ৩১ দশমিক ০৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
এর আগে চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি প্রথমবারের মতো বিপিএম৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ ৩০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করে। বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৩ সালের জুন থেকে এই আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী রিজার্ভের হিসাব প্রকাশ করছে। সে সময় বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২৪ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার।
আরও পড়ুন: দ্রব্যমূল্যের চাপে চিঁড়েচ্যাপ্টা নিম্ন-মধ্যম আয়ের মানুষ
বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ইতিহাসে সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছেছিল ২০২১ সালের আগস্টে, যখন তা ৪৮ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছিল। তবে পরবর্তী সময়ে আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ এবং অন্যান্য অর্থনৈতিক কারণে রিজার্ভ ধারাবাহিকভাবে কমতে থাকে। একই সময়ে ডলারের বিনিময় হারও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে ৮৪ টাকা থেকে ১২০ টাকার বেশি পর্যায়ে পৌঁছে যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতার সময় বিপিএম৬ হিসাব অনুযায়ী রিজার্ভ কমে ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছিল। তবে সাম্প্রতিক বৈদেশিক ঋণ সহায়তা, প্রবাসী আয় বৃদ্ধি এবং রিজার্ভ ব্যবস্থাপনায় উন্নতির ফলে রিজার্ভ আবারও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় ফিরেছে।





