কিউএস বিষয়ভিত্তিক র্যাঙ্কিং-২০২৬: বিশ্বমঞ্চে ঢাবির ১০ বিভাগ, দেশে শীর্ষ অবস্থান
যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা ও গবেষণা সংস্থা কোয়াকওয়ারেলি সায়মন্ডস (QS) প্রকাশিত ‘ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি সাবজেক্ট র্যাঙ্কিং-২০২৬’-এ ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ১০টি বিভাগ স্থান করে নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)। দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে এটি সর্বোচ্চ সাফল্য। গত বছর যেখানে ৯টি বিভাগ তালিকাভুক্ত ছিল, এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০-এ। এ বছরের বিষয়ভিত্তিক র্যাঙ্কিং গত ২৫ মার্চ প্রকাশিত হয়।
প্রতি বছরের মতো এবারও র্যাঙ্কিং দুটি প্রধান শ্রেণিতে প্রকাশ করা হয়েছে—ব্রড সাবজেক্ট (প্রধান বিষয়) এবং ন্যারো সাবজেক্ট (নির্দিষ্ট বিষয়)। ব্রড সাবজেক্টে পাঁচটি ক্যাটাগরির মধ্যে তিনটিতে জায়গা করে নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
আরও পড়ুন: জাতীয় স্মৃতিসৌধে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রদ্ধা নিবেদন
সোশ্যাল সাইন্স ও ম্যানেজমেন্টে দেশের সেরা
এই ক্যাটাগরিতে ঢাবির বৈশ্বিক অবস্থান ৩৭১তম, যা বাংলাদেশে প্রথম। এর অন্তর্ভুক্ত বিভাগগুলোর মধ্যে অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ফিন্যান্স (৩০১–৩৭৫), ইকোনমিক্স অ্যান্ড ইকোনোমেট্রিক্স (৩০১–৩৫০) এবং বিজনেস অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ (৪০১–৪৫০) উল্লেখযোগ্য অবস্থান অর্জন করেছে।
আরও পড়ুন: আর্থিক সংকটে জবিতে ভর্তি অনিশ্চিত, পাশে দাঁড়ালেন জকসুর সদস্য
ন্যাচারাল সাইন্সে একমাত্র বাংলাদেশি বিশ্ববিদ্যালয়
ন্যাচারাল সাইন্স ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে ঢাবির অবস্থান ৫০১–৫৫০-এর মধ্যে। এ ক্ষেত্রে রসায়ন (৫৫১–৬০০), পরিবেশ বিজ্ঞান (৪০১–৪৫০) এবং পদার্থবিজ্ঞান ও জ্যোতির্বিজ্ঞান (৫০১–৫৫০) বিভাগ র্যাঙ্কিংয়ে স্থান পেয়েছে।
লাইফ সাইন্সে আংশিক উপস্থিতি
লাইফ সাইন্স অ্যান্ড মেডিসিন ব্রড ক্যাটাগরিতে ঢাবি স্থান না পেলেও জীববিজ্ঞান বিভাগ ৬৫১–৭০০-এর মধ্যে অবস্থান করে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেকনোলজিতে অগ্রগতি
ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি ক্যাটাগরিতে ঢাবির বৈশ্বিক অবস্থান ৩৬৪তম। এর অন্তর্ভুক্ত কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস (৫৫১–৬০০), ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (৫০১–৫৫০) এবং মেকানিক্যাল, অ্যারোনটিক্যাল অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং ইঞ্জিনিয়ারিং (৫০১–৫৭৫) বিভাগ তালিকাভুক্ত হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে গবেষণা, একাডেমিক সুনাম এবং নিয়োগদাতাদের মূল্যায়নের ভিত্তিতে এই অগ্রগতি দেশের উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নের একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত।





