যৌথ গবেষণা ও একাডেমিক সহযোগিতায় ঢাবি-ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়, শিগগিরই স্বাক্ষরিত হবে সমঝোতা স্মারক

Sanchoy Biswas
ঢাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৪:০০ অপরাহ্ন, ১৯ জুন ২০২৬ | আপডেট: ৮:৩৮ অপরাহ্ন, ১০ অগাস্ট ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

একাডেমিক ও বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্রে যৌথ কার্যক্রম এবং গবেষণা সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শিগগিরই একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে।

সম্প্রতি তুরস্ক সফরকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেক্টরের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ সময় দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একাডেমিক ও গবেষণা সহযোগিতা সম্প্রসারণে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের বিষয়ে উভয় পক্ষ নীতিগতভাবে সম্মত হয়।

আরও পড়ুন: শিক্ষার মানোন্নয়নে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

বৈঠকে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান শিক্ষা ও গবেষণাভিত্তিক সহযোগিতামূলক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারকের আওতায় বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও উদ্ভাবন বিষয়ে যৌথ ডিপ্লোমা প্রোগ্রাম এবং সার্টিফিকেট কোর্স চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি একাডেমিক প্রকাশনা, গবেষণালব্ধ তথ্য-উপাত্ত ও জ্ঞান বিনিময়ের ক্ষেত্রেও পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলে শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময়, যৌথ গবেষণা, আন্তর্জাতিক প্রকাশনা এবং উদ্ভাবনমূলক কার্যক্রমে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও একাডেমিক নেটওয়ার্ক আরও সম্প্রসারিত হবে।

আরও পড়ুন: সএসসি ২০২৬: ক্যাডেট কলেজে শতভাগ পাস, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬০৭ জন

উল্লেখ্য, ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয় আধুনিক তুরস্কের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে পরিচিত। ১৪৫৩ সালে সুলতান দ্বিতীয় মুহাম্মদ এটি প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে এটি তুরস্কের অন্যতম শীর্ষ উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান।