ঢাবি উপাচার্যের সঙ্গে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জার্মানির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শিক্ষা ও গবেষণা সহযোগিতা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময়, বৃত্তি এবং দক্ষতা উন্নয়নসহ পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
আরও পড়ুন: ‘মেয়েদের সঙ্গে অবাধ বিচরণ’সহ অভিযোগে শিবিরের ‘সাথী’ পদ হারান রাকসু জিএস আম্মার
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে সহযোগিতা সম্প্রসারণের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বিশেষ করে জার্মানির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে যৌথ গবেষণা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময় ও বৃত্তি কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।
আরও পড়ুন: হাদির নাম সরিয়ে ফের ‘শেখ মুজিবুর রহমান হল’, নামফলক পরিবর্তনের কাজ শুরু
উপাচার্য বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতার উপযোগী করে গড়ে তুলতে বিদেশি ভাষা শিক্ষা, ব্যবহারিক ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে জার্মানির অভিজ্ঞতা ও সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। তিনি জার্মানিতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ, বৃত্তি এবং দুই দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।
শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণকে শিল্পখাতের চাহিদার সঙ্গে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, জার্মানিতে দক্ষ জনশক্তির প্রয়োজন রয়েছে এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও দক্ষ পেশাজীবীদের জন্য উচ্চশিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
এ সময় বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও গবেষকদের সঙ্গে জার্মানির শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর যোগাযোগ আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে শিক্ষা ও গবেষণা সহযোগিতা, বৃত্তি, দক্ষতা উন্নয়ন, শিল্প-শিক্ষা সহযোগিতা এবং ভবিষ্যতে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎ শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জার্মানির সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে উভয় পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করে।





