পারিবারিক ব্যবসা গবেষণায় বিশ্বে ৭৪তম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:৫৮ অপরাহ্ন, ২১ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ৩:১৮ পূর্বাহ্ন, ২২ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

পারিবারিক ব্যবসা নিয়ে গবেষণায় বিশ্বের শীর্ষ ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় স্থান পেয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)। জার্মানির অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ওয়াইফু ফাউন্ডেশন (WIFU Foundation) প্রকাশিত প্রথম ‘ফ্যামিলি বিজনেস রিসার্চ ইনডেক্স ২০২৬’-এ বিশ্বের ২ হাজার ৩৪৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৭৪তম অবস্থান অর্জন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।

সম্প্রতি প্রকাশিত এ সূচকে ২০২৩ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তিন বছরে প্রকাশিত গবেষণাকর্ম বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। গবেষণাপত্রের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে উন্মুক্ত গবেষণা তথ্যভান্ডার ওপেনঅ্যালেক্স (OpenAlex) থেকে। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণাকর্মের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট জার্নালের অবস্থানও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। র‍্যাঙ্কিংবিহীন জার্নালে প্রকাশিত গবেষণাপত্রের জন্য শূন্য স্কোর নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ওয়াইফু ফাউন্ডেশন।

আরও পড়ুন: না-ফেরার দেশে ইবি শিক্ষার্থী তরিকুল

পারিবারিক ব্যবসা নিয়ে গবেষণায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবদান মূল্যায়নের লক্ষ্যে এ সূচক চালু করা হয়েছে। ওপেনঅ্যালেক্স বিশ্বব্যাপী গবেষণা প্রকাশনা ও সংশ্লিষ্ট তথ্যের একটি উন্মুক্ত ও বিনামূল্যের তথ্যভান্ডার। ২০০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত ওয়াইফু ফাউন্ডেশনের সদর দপ্তর জার্মানির উইটেন শহরে। প্রতিষ্ঠানটি পারিবারিক ব্যবসা, উদ্যোক্তা পরিবার এবং পারিবারিক ব্যবসার দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন নিয়ে গবেষণা, শিক্ষা ও জ্ঞান বিনিময়ে কাজ করে।

এ অর্জনের বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, পারিবারিক ব্যবসা গবেষণায় বিশ্বের শীর্ষ ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান পাওয়া আনন্দ ও গর্বের বিষয়। এ স্বীকৃতি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকদের আরও উৎসাহিত করবে।

আরও পড়ুন: ঢাবির ৯৮ গবেষণা প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা, আন্তর্জাতিক মানের গবেষণায় গুরুত্বারোপ

তিনি বলেন, গবেষণার গুণগত মান বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ এবং নতুন জ্ঞান সৃষ্টির মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বদরবারে আরও মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে যেতে চায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এ লক্ষ্য অর্জনে গবেষকদের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি এবং গবেষণার পরিধি সম্প্রসারণে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হবে।