এনআইডির জন্মতারিখ সংশোধনের সব ফাইল যাচ্ছে ডিজির টেবিলে

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৮:২৮ অপরাহ্ন, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ২:২৮ পূর্বাহ্ন, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের পর জমে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধন আবেদনের নিষ্পত্তিতে গতি আনতে মাঠ প্রশাসনের ওপর কঠোর সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। জন্মতারিখ সংশোধনসংক্রান্ত ‘ক-’ থেকে ‘গ’ ক্যাটাগরির সব আবেদন তালিকাভুক্ত করে কেন্দ্রীয়ভাবে ‘ঘ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত করতে হবে—এমন নির্দেশ জারি হয়েছে। এর ফলে ফাইলগুলো সরাসরি এনআইডি মহাপরিচালকের (ডিজি) টেবিলে যাবে, নিষ্পত্তিও হবে কেন্দ্র থেকেই।

জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের (এনআইডি) সহকারী পরিচালক মুহা. সরওয়ার হোসেনের সই করা এক অফিস আদেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। আদেশে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, নির্বাচনকালীন সীমিত সংশোধন কার্যক্রমের কারণে জমে থাকা অনিষ্পন্ন আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে।

আরও পড়ুন: জানুয়ারিতে সংবিধান সংশোধন, এরপর গণভোটের পরিকল্পনা

সময় বেঁধে দেওয়া নির্দেশ:

অফিস আদেশ অনুযায়ী—২৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের ‘ক’ থেকে ‘গ’ ক্যাটাগরির সব জন্মতারিখ সংশোধন আবেদন তালিকাভুক্ত করে অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠাতে হবে।

আরও পড়ুন: পেছাচ্ছে ইউপি নির্বাচন, জানুয়ারিতে ভোটের পরিকল্পনা

২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তারা এসব আবেদন ‘ঘ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত করবেন।

‘ঘ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত হলেই আবেদনগুলো কেন্দ্রীয়ভাবে এনআইডি মহাপরিচালকের অধীনে চলে আসবে। অর্থাৎ মাঠ পর্যায়ে আর নিষ্পত্তি নয়—চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে ডিজি পর্যায়ে।

স্বচ্ছতা নাকি চাপের পাহাড়?

কেন্দ্রীয়ভাবে ক্যাটাগরি নির্ধারণ ও ডিজি পর্যায়ে নিষ্পত্তির ফলে প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিয়ন্ত্রণ বাড়বে—এমন দাবি ইসি সংশ্লিষ্টদের। তবে সব ফাইল প্রধান কার্যালয়ে জমা হলে কাজের চাপ বাড়বে কি না, তা নিয়ে ভেতরে ভেতরে সংশয়ও রয়েছে।

নির্বাচনকালীন সময়ে নাগরিক সেবা সচল রাখা ও ভোটারদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমাতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

ইসির নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, সব আঞ্চলিক, জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে নির্ধারিত সময়সীমা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। সময়মতো তালিকা পাঠানো ও ক্যাটাগরি পরিবর্তন না হলে দায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরই বহন করতে হবে—এমন বার্তাও স্পষ্ট।