যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলা, নিহত ১১

Sadek Ali
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকা–এ ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ১১ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। রোববার পরিচালিত এসব হামলায় আরও কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী দাবি করেছে, ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করায় এর প্রতিক্রিয়ায় নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: সংশয় সত্ত্বেও ইরানি আলোচকেরা পাকিস্তানের পথে

গাজার চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলো বিভিন্ন স্থানে তাঁবু টানিয়ে বসবাস করছেন। রোববার একটি আশ্রয় শিবিরে বিমান হামলায় অন্তত চারজন নিহত হন। স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিসে পৃথক হামলায় পাঁচজন এবং উত্তরাঞ্চলে গুলিতে আরও একজন নিহত হয়েছেন।

এ ছাড়া গাজা শহরের তেল আল-হাওয়া এলাকায় হামাসের মিত্র গোষ্ঠী ইসলামিক জিহাদ–এর এক কমান্ডারকে লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: নিয়ম ভাঙলে সামরিক প্রতিক্রিয়া হবে ভয়াবহ: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

গাজায় হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের ওপর নতুন এই হামলাকে ‘গণহত্যা’ আখ্যা দিয়ে ইসরায়েলকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প–এর বোর্ড অব পিসের প্রথম বৈঠকের কয়েক দিন আগে এ ধরনের হামলা যুদ্ধবিরতি চুক্তির গুরুতর লঙ্ঘন।

অন্যদিকে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর এক কর্মকর্তা দাবি করেছেন, রোববারের হামলাগুলো আন্তর্জাতিক আইন মেনে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে পরিচালিত হয়েছে। তার অভিযোগ, গত অক্টোবরে স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি চুক্তি হামাস বারবার লঙ্ঘন করেছে।

ইসরায়েল ও হামাস একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি ভঙ্গের অভিযোগ করে আসছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরায়েলে হামাসের হামলার মাধ্যমে বর্তমান যুদ্ধের সূচনা হয় বলে ইসরায়েলি পরিসংখ্যান বলছে। ওই হামলায় এক হাজার ২০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হন। অন্যদিকে ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দাবি, এরপর থেকে গাজায় ইসরায়েলের বিমান ও স্থল হামলায় এখন পর্যন্ত ৭২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং হাজার হাজার মানুষ আহত হয়েছেন।