খামেনির কার্যালয়ের সামনে বিস্ফোরণ
ইরানের রাজধানী তেহরানসহ দেশটির বিভিন্ন কৌশলগত শহরে আকস্মিক ও ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে পরিচালিত এই অভিযানে তেহরানের কেন্দ্রস্থল থেকে শুরু করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় একের পর এক বিস্ফোরণে পুরো শহর কেঁপে ওঠে। আকাশের বিশাল অংশ ঘন ধোঁয়ায় ঢেকে যায়।
আরও পড়ুন: মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনের কথা প্রথমবার স্বীকার করল যুক্তরাষ্ট্র
ইরানি সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, তেহরানের জনবহুল ইউনিভার্সিটি স্ট্রিট এবং প্রশাসনিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জোমহুরি এলাকায় একাধিক ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি আঘাত হানে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের পরপরই ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত এলাকা ঘিরে ফেলে এবং সাধারণ মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণ শুরু করে। তবে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে এখন পর্যন্ত ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি-র কার্যালয়ের নিকটবর্তী এলাকায় বিস্ফোরণের ঘটনা দেশটির সার্বভৌমত্বের ওপর বড় ধরনের আঘাত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
আরও পড়ুন: দক্ষিণ আফ্রিকায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২১
এদিকে, তেহরানে হামলার সমান্তরালে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) নিজ দেশের জনগণের জন্য সর্বোচ্চ জাতীয় সতর্কতা জারি করেছে।
সম্ভাব্য ইরানি পাল্টা হামলার আশঙ্কায় সমগ্র ইসরায়েলজুড়ে জরুরি অবস্থা বলবৎ করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আইডিএফ জানিয়েছে, গত কয়েক মিনিটে ইসরায়েলের প্রায় প্রতিটি শহরে সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে উঠেছে। নাগরিকদের মোবাইল ফোনে জরুরি বার্তা পাঠিয়ে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত নিকটস্থ নিরাপদ আশ্রয়ের কাছে অবস্থান করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।





