ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ১৯তম হামলা, মধ্যাঞ্চলে তীব্র বিস্ফোরণ
বৃহস্পতিবার ভোরে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’-এর ১৯তম দফার হামলা শুরু করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)। ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের সমন্বয়ে চালানো এ হামলায় মধ্য ইসরায়েল ও অধিকৃত আল-কুদসসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
ইসরায়েলি গণমাধ্যমের দাবি, এ অভিযানে ইরান উন্নত প্রযুক্তির হাইপারসোনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। কিছু ক্ষেপণাস্ত্রে ক্লাস্টার বোমা বা গুচ্ছ গোলাবারুদ সংযুক্ত ছিল বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: ট্রাম্পের গাজা-সংক্রান্ত দাবি প্রত্যাখ্যান করলেন ফিলিস্তিনি নেতারা
হামলা শুরুর পরপরই বিভিন্ন এলাকায় সাইরেন বেজে ওঠে এবং আতঙ্কে সাধারণ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যান। ইসরায়েলি হোম ফ্রন্ট কমান্ড জানিয়েছে, গুশ দান এলাকাসহ প্রায় ১৯৪টি বসতিতে একযোগে সতর্ক সংকেত জারি করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা তেল আবিব এবং মধ্যাঞ্চলে অন্তত ১৫ থেকে ২০টি বিস্ফোরণের শব্দ শোনার কথা জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, হামলায় ওই অঞ্চলে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোও লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। কিছু অসমর্থিত সূত্রে মার্কিন সেনাদের হতাহতের দাবিও করা হয়েছে, যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু নিশ্চিত হয়নি।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিক করার সুপারিশ ভারতের সংসদীয় কমিটির
এক বিবৃতিতে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর দাবি করেছে, এর আগে ১৮তম দফার হামলায় তারা ইসরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রণালয় ও বেন গুরিয়ান বিমানবন্দর-এর মতো কৌশলগত স্থাপনায় আঘাত হেনেছে। এছাড়া অন্তত সাতটি উন্নত রাডার সিস্টেম ধ্বংস করার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নজরদারি ব্যবস্থা দুর্বল করে দেওয়ার কথাও জানিয়েছে তেহরান।
গত ১০০ ঘণ্টা ধরে অধিকৃত অঞ্চলে অব্যাহত সাইরেন ও বাসিন্দাদের ভূগর্ভস্থ আশ্রয়ে অবস্থানকে ইরান তাদের পরিকল্পিত ‘কঠোর প্রতিশোধ’-এর অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছে। বর্তমানে বেনি ব্রাকসহ বিভিন্ন এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধের চেষ্টা চলছে এবং জরুরি বিভাগগুলো আহতদের সহায়তায় কাজ করছে।





