হাত ট্রিগারেই আছে, আগের চেয়েও কঠোর প্রতিক্রিয়া হবে: ইরান

Sadek Ali
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ৮:১৬ পূর্বাহ্ন, ২২ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ১০:১৪ পূর্বাহ্ন, ২২ এপ্রিল ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতে চলায় ফের সংঘাতের আশঙ্কা জোরালো হয়েছে। শেষ সময় ঘনিয়ে আসতেই কড়া বার্তা দিয়েছে তেহরান—তাদের প্রতিরক্ষা বাহিনী ‘পূর্ণ প্রস্তুত’ রয়েছে এবং যেকোনো পরিস্থিতির জবাব দিতে প্রস্তুত।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ  সংস্থাআইআরএনএ-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দেশটির সরকারের মুখপাত্র ফাতেমাহ মোহাজেরানি বলেন, ইরান যুদ্ধ চায় না, তবে আক্রমণের শিকার হলে আগের চেয়েও কঠোর প্রতিক্রিয়া জানানো হবে।

আরও পড়ুন: যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা ট্রাম্পের

তিনি জানান, তেহরানের সামনে এখন দুইটি পথ খোলা—কূটনীতি কিংবা প্রতিরোধমূলক সামরিক কৌশল। তবে জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না বলেও স্পষ্ট করে দেন তিনি। সম্ভাব্য নতুন দফার আলোচনা নিয়ে অনিশ্চয়তার কথাও উল্লেখ করেন মোহাজেরানি।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানও বেশ কঠোর। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যে সতর্ক করেছেন—চূড়ান্ত কোনো সমঝোতা না হলে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। সিএনবিসি-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যুদ্ধবিরতির সময়টিকে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক প্রস্তুতি জোরদারে ব্যবহার করেছে এবং প্রয়োজন পড়লে দ্রুত হামলা চালানোর সক্ষমতা তাদের রয়েছে।

আরও পড়ুন: যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে চান না ট্রাম্প

ট্রাম্প আরও ইঙ্গিত দিয়েছেন, চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে তার আগ্রহ নেই। ফলে নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পর দুই দেশের মধ্যে নতুন করে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ছে।

এদিকে, পাকিস্তান কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়ে দুই পক্ষকে আলোচনার টেবিলে ফেরানোর চেষ্টা করছে। ইসলামাবাদ একটি স্থায়ী শান্তিচুক্তির লক্ষ্যে নতুন দফার সংলাপ আয়োজন করতে চাইলেও তেহরান এখনো এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতি ভেঙে গেলে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে, যার প্রভাব পড়তে পারে বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি বাজারে।