মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১১৪ ডলার

Sadek Ali
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, ০৫ মে ২০২৬ | আপডেট: ৩:৫৮ অপরাহ্ন, ০৫ মে ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতির অনিশ্চয়তার মধ্যে বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। সরাসরি সংঘাতের প্রভাব পড়েছে জ্বালানি সরবরাহে, বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে উত্তেজনা বৃদ্ধির কারণে।

সোমবার তেলের দাম প্রায় ৬ শতাংশ বাড়ার পর মঙ্গলবার সকালে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৪ ডলারে স্থিতিশীল রয়েছে।

আরও পড়ুন: দুবাইয়ে ওয়ার্ল্ড আর্ট মেলা, প্রদর্শিত হবে ১০ হাজার শিল্পকর্ম

অন্যদিকে ডব্লিউটিআই তেলের দাম ১০৫ ডলারের ঠিক নিচে অবস্থান করছে।

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সরাসরি গোলাগুলির ঘটনা বাজারে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে হামলার শঙ্কা, বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, মার্কিন পতাকাবাহী জাহাজকে পাহারা দেওয়ার সময় ইরানি হামলা প্রতিহত করা হয়েছে।

একই সময়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ তেল টার্মিনালে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়া গেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।

হরমুজ প্রণালি কার্যত অচল হয়ে পড়ায় বাজারে ‘ওয়ার প্রিমিয়াম’ বা যুদ্ধকালীন অতিরিক্ত মূল্য যোগ হয়েছে। এর ফলে জ্বালানির দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, এই সংঘাত আরও দুই থেকে তিন সপ্তাহ স্থায়ী হতে পারে।

তিনি হুঁশিয়ারি দেন, মার্কিন জাহাজে সরাসরি হামলা হলে তার পরিণতি হবে ভয়াবহ।

অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, আলোচনায় কিছু অগ্রগতি হলেও উত্তেজনা এড়াতে সব পক্ষকে সতর্ক থাকতে হবে।

বাজার বিশ্লেষক সংস্থা গোল্ডম্যান স্যাকস জানিয়েছে, বৈশ্বিক তেলের মজুত এখনও সংকটজনক পর্যায়ে না পৌঁছালেও দ্রুত কমছে।

বর্তমানে ১০১ দিনের চাহিদা মেটানোর মতো মজুত থাকলেও মে মাসের শেষে তা ৯৮ দিনে নেমে আসতে পারে। বিশেষ করে জেট ফুয়েল ও ন্যাপথার মতো পণ্যের মজুত দ্রুত কমছে।