মস্কোর তেল শোধনাগারে আবারও ইউক্রেনের ড্রোন হামলা

Sadek Ali
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১:৪২ অপরাহ্ন, ১৮ জুন ২০২৬ | আপডেট: ১:৪২ অপরাহ্ন, ১৮ জুন ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগারে নতুন করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ভোরে সংঘটিত এ হামলা এক সপ্তাহের মধ্যে একই স্থাপনায় দ্বিতীয় আঘাত বলে জানিয়েছে রুশ কর্তৃপক্ষ।

সাম্প্রতিক সময়ে রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামো, সামরিক ঘাঁটি ও কৌশলগত স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে ইউক্রেন ধারাবাহিকভাবে ড্রোন হামলা জোরদার করেছে। এর অংশ হিসেবেই মস্কোর দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কাপোতন্যা এলাকায় অবস্থিত মস্কো অয়েল রিফাইনারি হামলার শিকার হয়েছে।

আরও পড়ুন: শেষ ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন, সন্ত্রাসবাদ ও একতরফা সংঘাতের নিন্দা

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একাধিক ড্রোন শোধনাগার এলাকায় আঘাত হানে। মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন টেলিগ্রামে জানান, রাজধানীমুখী ৪০টির বেশি ড্রোন রুশ বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভূপাতিত করেছে।

তিনি বলেন, বিমান প্রতিরক্ষা ইউনিট এখনও হামলা প্রতিহত করতে কাজ করছে। ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে একটি শপিং সেন্টারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আরও পড়ুন: পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে রুশ ড্রোন হামলা, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন বরিস জনসন

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের যাচাই করা ভিডিওতে শোধনাগারে বিস্ফোরণের দৃশ্য দেখা গেছে। ফুটেজে স্থাপনাটির একটি অংশ থেকে ঘন কালো ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। পরে আরও একটি শক্তিশালী বিস্ফোরণে পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে।

এর আগে মঙ্গলবারও একই রিফাইনারিতে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে। সে সময় মেয়র সোবিয়ানিন জানিয়েছিলেন, হামলায় শোধনাগার এলাকার একটি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

রুশ কর্মকর্তাদের দাবি, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইউক্রেন দূরপাল্লার হামলার মাধ্যমে রাশিয়ার জ্বালানি খাতকে লক্ষ্যবস্তু করছে। তেল শোধনাগার, জ্বালানি ডিপো, নৌঘাঁটি ও সামরিক স্থাপনাগুলোতে হামলার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

এদিকে ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় অগ্রগতি না হওয়ায় রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

প্যারিসে অনুষ্ঠিত জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, রাশিয়ার তেল সরবরাহ খাতের ওপর পুনরায় কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টি বিবেচনা করছে ওয়াশিংটন। হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত কার্যকর হতে পারে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।