সৌদি আরবের নিরাপত্তায় জরুরি বৈঠকের প্রস্তুতি, বসছে মক্কা জোট

Sanchoy Biswas
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ৬:৪১ অপরাহ্ন, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ৬:৪১ অপরাহ্ন, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

সৌদি আরবের নিরাপত্তায় মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় জরুরি বৈঠকের প্রস্তুতি নিচ্ছে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক। চুক্তির আওতায় সৌদি আরবকে সহযোগিতার বিভিন্ন উপায় ও প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করতে তিন দেশের সেনাপ্রধানদের বৈঠকের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করেছেন দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সৌদি গেজেটের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি মোকাবিলায় জাতিসংঘে সর্বসম্মত ঘোষণা

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে সৌদি আরবের জাতিসংঘ মিশনের কার্যালয়ে বৈঠক করেন সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান, পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার এবং তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান।

বৈঠকে মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় তিন দেশের সামরিক সহযোগিতার কাঠামো আরও কার্যকর করার অগ্রগতি এবং তিন দেশের সেনাপ্রধানদের বৈঠকের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয়। ওই বৈঠকে চুক্তির প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সৌদি আরবকে সহায়তার বিভিন্ন প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন: সাত দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার প্রস্তাব ইরানের

গত ৭ আগস্ট সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করে। চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটি সদস্য রাষ্ট্রের ওপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করার কথা বলা হয়েছে।

বৈঠকে সৌদি আরবের মক্কা এবং দেশটির বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনা লক্ষ্য করে চালানো হামলার প্রচেষ্টার তীব্র নিন্দা জানান তিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। একই সঙ্গে তারা আঞ্চলিক পরিস্থিতির সর্বশেষ অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করেন।

আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলা, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা, রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের প্রতি পারস্পরিক সম্মান এবং অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা। পাশাপাশি সমুদ্রপথে নিরাপদ ও অবাধ নৌ চলাচল নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।

আঞ্চলিক স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় কাজ করার অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেন তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। একই সঙ্গে উত্তেজনা কমাতে নেওয়া উদ্যোগে সহায়তা এবং চলমান সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন তারা।