তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া চীনের
প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় কাজ করার আগ্রহ প্রকাশের পাশাপাশি বহুল আলোচিত তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়েও ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে চীন।
রোববার (৩০ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান তিনি।
আরও পড়ুন: আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শক্তিকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ড. খলিলুর রহমান বলেন, চীনের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের ৫০টি চমৎকার বছর অতিক্রম করেছি। আগামী ৫০ বছর কেমন করে আমরা আমাদের দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গড়ে তুলব তার একটি শক্ত ভিত্তি প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তৈরি করে দিয়েছেন। তার একটি দিক হচ্ছে পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং অন্য দিকটা হচ্ছে শিল্পায়ন।
খলিলুর রহমান আরও বলেন, এই দুটি স্তম্ভ তারা শক্ত করে প্রতিষ্ঠা করে দিয়ে গেছেন। এগুলো এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ হচ্ছে দুই দেশের মানুষের। তার একটি প্রধান বিষয় হচ্ছে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্ক।
আরও পড়ুন: ‘বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত’, ওয়াল স্ট্রিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
এর আগে বুধবর (২৬ মার্চ) চার দিনের সরকারি সফরে চীনে পৌঁছান ড. মুহাম্মদ ইউনূস। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। শি-এর সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি প্রেসিডেন্সিয়াল বেইজিংয়ে চীনা ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গেও একটি ‘ইনভেস্টমেন্ট ডায়ালগে’ যোগ দেন।
তার এই সফরে চীনের হাইনান প্রদেশে আয়োজিত বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়া (বিএফএ) সম্মেলনে ভাষণ দেন ড. ইউনূস। এ সম্মেলনের ফাঁকে বেশ কয়েকটি বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়।
সবশেষ শনিবার সকালে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি দেয় দেশটির পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়। এছাড়াও তিনি ওই অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন। পরবর্তীতে চীনের স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ৫৭ মিনিটে বেইজিং ক্যাপিটাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেন প্রধান উপদেষ্টা।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের এই সফরে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে একটি চুক্তি ও ৮টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। এছাড়াও বাংলাদেশ চীন সরকার ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ২১০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ, অনুদান ও বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি পেয়েছে।





