কৈলাশটিলার বন্ধ কূপে মিলল নতুন গ্যাস, মজুত ২০ বিলিয়ন ঘনফুট

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:৪০ অপরাহ্ন, ২০ নভেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ৮:২৫ পূর্বাহ্ন, ২১ নভেম্বর ২০২৫
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

সিলেটের কৈলাশটিলা গ্যাস ফিল্ডের ১ নম্বর কূপে প্রায় ছয় বছর বন্ধ থাকার পর নতুন করে গ্যাসের সন্ধান মিলেছে। প্রতিদিন ৫০ থেকে ৬০ লাখ ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার মতো সক্ষমতা রয়েছে কূপটির। মজুত প্রায় ২০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস, যা থেকে আগামী ১০ বছরে ৩ হাজার কোটি টাকার বেশি মূল্যের গ্যাস উত্তোলন সম্ভব হবে।

বৃহস্পতিবার প্রাথমিক পরীক্ষার ফল তুলে ধরে এ তথ্য জানিয়েছেন সিলেট গ্যাস ফিল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল জলিল প্রামাণিক।

আরও পড়ুন: ছুটিতেও গুলশান বাসভবন থেকে সরকারি কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী

গ্যাসফিল্ড সূত্র জানায়, ১৯৬১ সালে খনন করা হয় কৈলাশটিলা-১ কূপটি। খননের সময় ছয়টি স্তরে গ্যাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেলেও ১৯৮৩ সালে গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়। সর্বশেষ চতুর্থ স্তর থেকে গ্যাস উত্তোলনের সময় ২০১৯ সালে কূপটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়।

পরবর্তীতে ২০২৩ সালে সরকার পুরোনো কূপগুলো পুনরায় সচল করার উদ্যোগ নেয়। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২২০ কোটি টাকার একটি প্রকল্পে কৈলাশটিলা-১সহ তিনটি কূপে ওয়ার্কওভার চালায় বাপেক্স। চলতি বছরের ১২ আগস্ট শুরু হওয়া কাজ শেষে ১২ নভেম্বর প্রাথমিক পরীক্ষা শুরু হয়।

আরও পড়ুন: ঈদে কূটনীতিক-শিক্ষাবিদদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সিলেট গ্যাস ফিল্ড কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়, প্রায় ২ হাজার ২শ মিটার গভীরে নতুন একটি স্তর থেকে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে, যেখান থেকে আগে কখনো গ্যাস উত্তোলন হয়নি।

ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, "বর্তমানে কূপটিতে গ্যাসের চাপ অত্যন্ত ভালো। প্রতিদিন ৫০–৬০ লাখ ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা সম্ভব হবে।"

তিনি আরও জানান, এই গ্যাস উত্তোলনের ফলে বিদেশ থেকে এলএনজি আমদানির সমপরিমাণ প্রায় ৩ হাজার ৩শ কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রক্রিয়া ও সংযোগ সম্পন্ন হলে দুই থেকে তিন দিনের মধ্যেই জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হবে।