আজ থেকে মাঠে নামবেন ১০৫১ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট: ইসি মাছউদ

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে আগামীকাল রোববার থেকে মাঠে নামছেন ১ হাজার ৫১ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট। পাশাপাশি সেনাবাহিনীর আরও সদস্যসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করবেন। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তারা নির্বাচনী মাঠে থাকবেন।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ একটি প্রথম সারির গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানান।

আরও পড়ুন: রাস্তায় নেমে আসা সবাই বিএনপির কর্মী নয়: প্রধানমন্ত্রী

তিনি বলেন, সেনাবাহিনী আগে থেকেই মাঠে রয়েছে, রোববার থেকে তাদের কার্যক্রম আরও জোরদার হবে। ভোটের আগে ও পরে মোট সাত দিন তারা দায়িত্ব পালন করবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠকে তারা জানিয়েছে, দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো এবং নির্বাচনের জন্য সহায়ক পরিবেশ রয়েছে।

নির্বাচন কমিশনার জানান, দেশের বিভিন্ন জেলায় ব্যালট বাক্স পাঠানো হয়েছে এবং রিটার্নিং কর্মকর্তারা সেগুলো গ্রহণ করছেন। বর্তমানে সবাই ভোটের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত।

আরও পড়ুন: ৩ মে রবিবার থেকেই শুরু হাওরের কৃষকের কাছ থেকে ধান-চাল সংগ্রহ

ইনকিলাব মঞ্চের আন্দোলন নির্বাচনের পরিবেশে কোনো প্রভাব ফেলবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে কোনো উদ্বেগ নেই। তবে নির্বাচন সামনে থাকায় আন্দোলনকারীদের দাবি-দাওয়া আপাতত স্থগিত রাখার আহ্বান জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক পরিপত্রে বলা হয়েছে, নির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ, বিজিবি, আনসার-ভিডিপি ও কোস্ট গার্ড মোতায়েন থাকবে। স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তা দিতে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদেরও দায়িত্ব দেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এবার নির্বাচনে বিভিন্ন বাহিনীর মোট প্রায় ৯ লাখ ৭০ হাজারের বেশি সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে আনসার ও ভিডিপি ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৪৮৩ জন, সেনাবাহিনী ১ লাখ ৩ হাজার, নৌবাহিনী ৫ হাজার, বিমানবাহিনী ৩ হাজার ৭৩০, বিজিবি ৩৭ হাজার ৪৫৩, কোস্ট গার্ড ৩ হাজার ৫৮৫, পুলিশ ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩, র‍্যাব ৯ হাজার ৩৪৯ এবং চৌকিদার-দফাদার ৪৫ হাজার ৮২০ জন থাকবেন।

পরিপত্রে আরও বলা হয়, নির্বাচনী এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্ট গার্ড, র‍্যাব, পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এবং আনসার ব্যাটালিয়ন মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে। বিজিবি, র‍্যাব, এপিবিএন ও আনসার ব্যাটালিয়ন জেলা, উপজেলা ও থানাভিত্তিক দায়িত্ব পালন করবে। উপকূলীয় এলাকায় কোস্ট গার্ড মোতায়েন থাকবে। সব বাহিনী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করবে।

এ ছাড়া মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ১৬ থেকে ১৭ জন পুলিশ ও আনসার সদস্য এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭ থেকে ১৮ জন মোতায়েন থাকবে। মেট্রোপলিটন এলাকার সাধারণ কেন্দ্রে ১৬ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। দুর্গম ঘোষিত ২৫ জেলার নির্দিষ্ট কেন্দ্রগুলোতেও ১৬ থেকে ১৮ জন করে সদস্য মোতায়েন থাকবে। এসব সদস্য ভোট গ্রহণের দুই দিন আগে থেকে দায়িত্ব পালন করবেন।