জ্বালানি সরবরাহে স্বস্তি

হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিয়ে গ্যাসবাহী জাহাজ চট্টগ্রামে

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ২:২৮ অপরাহ্ন, ০৮ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ২:২৮ অপরাহ্ন, ০৮ মার্চ ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও দেশের চাহিদা মেটাতে হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিয়ে গ্যাসবাহী চারটি জাহাজ ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দর-এ পৌঁছেছে। এতে আপাতত জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতিতে কিছুটা স্বস্তি তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, কাতার-এর রাস লাফান বন্দর থেকে তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বহনকারী ‘আল জোরা’ জাহাজটি ৬৩ হাজার ৩৮৩ মেট্রিক টন কার্গো নিয়ে ৩ মার্চ সকাল সাড়ে ৯টায় বন্দরে পৌঁছেছে। একই বন্দর থেকে আসা ‘আল জাসাসিয়া’ জাহাজটি ৬৩ হাজার ৭৫ মেট্রিক টন এলএনজি নিয়ে ৫ মার্চ সকাল সাড়ে ১০টায় বন্দরে ভিড়ে।

আরও পড়ুন: বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলোতে আবারো অস্থিরতা

এ ছাড়া রাস লাফান থেকে ৬২ হাজার ৯৮৭ মেট্রিক টন এলএনজি নিয়ে আসা ‘লুসাইল’ জাহাজটি সোমবার (৯ মার্চ) চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়বে। একই বন্দর থেকে রওনা হওয়া ‘আল গালায়েল’ (৫৭ হাজার ৬৬৫ মেট্রিক টন) ১১ মার্চ এবং ‘লেব্রেথাহ’ (৬২ হাজার মেট্রিক টন) ১৪ মার্চ বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

অন্যদিকে ওমান-এর সোহার বন্দর থেকে আসা ‘জি-ওয়াইএমএন’ নামের এলপিজি জাহাজটি ১৯ হাজার ৩১৬ মেট্রিক টন কার্গো নিয়ে ২৬ ফেব্রুয়ারি ভোরে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। এছাড়া রোববার (৮ মার্চ) দুপুর ২টায় ‘এলপিজি সেভেন’ নামের আরেকটি জাহাজ ২২ হাজার ১৭২ মেট্রিক টন গ্যাস নিয়ে বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন: কওমি সনদের দ্রুত বাস্তবায়ন ও স্বকীয়তা রক্ষার দাবি কওমি মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদের

এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত-এর ফুজাইরাহ বন্দর থেকে মেরিন ইথানল গ্যাস (এমইজি) বহনকারী ‘বে-ইয়াসু’ জাহাজটি ৫ হাজার ১৯ মেট্রিক টন কার্গো নিয়ে ৫ মার্চ সকালে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, আটটি জাহাজ আগেই হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। এর মধ্যে চারটি ইতোমধ্যে বন্দরে পৌঁছেছে, একটি আজ আসছে এবং বাকি তিনটি পথে রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-এর ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল-এর হামলা এবং পাল্টা প্রতিক্রিয়ার জেরে হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ ব্যবহার করেই মধ্যপ্রাচ্য থেকে বাংলাদেশের বড় অংশের জ্বালানি পণ্য আমদানি করা হয়।