সংবিধান পরিবর্তন অধ্যাদেশের মাধ্যমে আসতে পারে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৭:১৬ অপরাহ্ন, ১৫ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ৯:১২ অপরাহ্ন, ১৫ মার্চ ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, সংবিধানের ধারা বা সংবিধান সংশোধনের কোনো বিষয় অধ্যাদেশের মাধ্যমে আনা যায় না। রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশও সংবিধান পরিবর্তনের কোনো বিধান করতে পারেন না। তিনি বলেন, “এই যে আদেশ, এটি না অধ্যাদেশ, না আইন।”

আজ রোববার (১৫ মার্চ) সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে বিরোধী দলীয় নেতার প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: পাম্পগুলোতে শৃঙ্খলা ফেরাতে ডিসিদের কঠোর নির্দেশ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “এই আদেশটি না অধ্যাদেশ, না আইন। মাঝামাঝি কি জিনিস সেটা নিউট্রাল জেন্ডার হতে পারে। আমি অসংসদীয় কোনো শব্দ ব্যবহার করতে চাইনি। যদি এটা বাইরের বক্তৃতা হতো, তা বলা যেত।”

তিনি উল্লেখ করেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে বিরোধীদল অসাংবিধানিকভাবে শপথ নিয়েছেন। সেই পরিষদ আহ্বানের জন্য রাষ্ট্রপতি আর্টিকেল ৭২ অনুসারে অধিবেশন আহ্বানের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন ছাড়া রাষ্ট্রপতি অন্য কোনো কাজ করেন না। সংসদের আহ্বানও প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ভোজ্যতেল সরবরাহ স্বাভাবিক, আতঙ্কের কারণ নেই : বাণিজ্যমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আর্টিকেল ৭২ অনুসারে সংবিধান সংস্কার পরিষদ না থাকার কারণে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি উক্ত অধিবেশন আহ্বান করতে পারেননি। তবে রাষ্ট্রপতির জারি করা আদেশ যদি বৈধ হয়, তা নিয়ে আলোচনা করা সম্ভব।

তিনি জুলাই জাতীয় সনদ প্রসঙ্গে বলেন, এটি রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে স্বাক্ষরিত হয়েছিল। জনগণের পক্ষে কি না তা নিশ্চিত করার জন্য গণভোট আয়োজন করা হয়। প্রথমে একটি দিনের মধ্যে ভোট অনুষ্ঠিত হলেও, পরে আদেশ জারি করে আরও একটি প্রশ্ন যুক্ত করা হয়। চারটি মূল প্রশ্নের মধ্যে একটি ছিল—জুলাইয়ে জাতীয় সনদ বাস্তবায়িত হয়নি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “গণভোটের রায় বাস্তবায়নের জন্য আগে সংবিধান সংশোধন করতে হবে। সংশোধন পাশ হলে শপথ নেওয়ার বিষয় আসে। তবে বর্তমানে সংবিধান সংশোধনের বিল এই অধিবেশনে আনা সম্ভব কিনা সন্দেহ আছে। প্রথম দিনে ১৩৩টি অধ্যাদেশ উত্থাপিত হয়েছে। এগুলো বিশেষ কমিটিতে প্রস্তাব করা হবে এবং ৩০ দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”