বাতিল হচ্ছে ‘গণভোট অধ্যাদেশ’, উঠবে না সংসদে
অধ্যাদেশ নিয়ে দ্বিমত: ১৫ বিষয়ে আপত্তি বিরোধী দলের
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের অধিকাংশ যাচাই-বাছাই শেষে আগামী ২ এপ্রিল জাতীয় সংসদে উত্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশেষ কমিটি। তবে গণভোটের অধ্যাদেশটি বিল আকারে সংসদে না আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে আপত্তি তুলেছে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী।
আরও পড়ুন: পাচার হওয়া ৪৪ কোটি টাকা উদ্ধার করেছে সিআইডি
রোববার রাতে জাতীয় সংসদের ক্যাবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত বিশেষ কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে অধ্যাদেশগুলোর যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হয়।
কমিটি জানিয়েছে, মানবাধিকার কমিশন, পুলিশ কমিশন, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার এবং সুপ্রিম কোর্টের পৃথক সচিবালয়সহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ সংশোধনীসহ সংসদে উত্থাপন করা হবে। তবে এসব সংশোধনের বিরোধিতা করেছেন বিরোধী দলের সদস্যরা। এ বিষয়ে অন্তত ১৫টি অধ্যাদেশে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছেন তারা।
আরও পড়ুন: আমরা সংবিধান সংশোধনের জন্য নয়, সংস্কারের জন্য এসেছি: নাহিদ ইসলাম
গণভোটের অধ্যাদেশ নিয়ে বিরোধী দলের সদস্য রফিকুল ইসলাম খান বলেন, “গণভোট গোটা জাতির সঙ্গে সম্পর্কিত। এটি বাতিলের প্রস্তাব আমরা প্রত্যাখ্যান করেছি।”
অন্যদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “গণভোট অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য পূরণ হয়ে গেছে। তাই এটি বিল আকারে এনে আইন করার প্রয়োজন নেই।”
কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীনের সভাপতিত্বে বৈঠকে সরকারি ও বিরোধী দলের একাধিক সদস্য অংশ নেন। সভায় জানানো হয়, যেসব বিষয়ে একমত হওয়া যায়নি, সেগুলো সংসদে চূড়ান্ত আলোচনার জন্য উত্থাপন করা হবে।





