হাম ও জ্বালানি সংকটেও স্কুল বন্ধের পরিকল্পনা নেই: প্রাথমিক প্রতিমন্ত্রী

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৫:১৪ অপরাহ্ন, ০৬ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ৫:১৪ অপরাহ্ন, ০৬ এপ্রিল ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

দেশে চলমান হামের প্রাদুর্ভাব এবং জ্বালানি সংকটের মধ্যেও প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখা বা অনলাইন ক্লাস চালুর কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামো ও শিক্ষা কার্যক্রম সরেজমিন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।

আরও পড়ুন: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের জীবনবৃত্তান্ত

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সশরীরে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার পক্ষেই রয়েছে। “অনলাইন ক্লাস প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য খুব একটা কার্যকর নয়,”—বলেন তিনি। তাই আপাতত স্কুল বন্ধের কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

তিনি আরও জানান, শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: শিক্ষকদের উৎসব ভাতা বাড়ছে ১০%, ১৭ বছর পর উদ্যোগ

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি, শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য, ‘মিড ডে মিল’ কর্মসূচি এবং সার্বিক শিক্ষা পরিবেশ সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

হামের সংক্রমণ বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো স্কুল বন্ধ করার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি বলে মনে করছে মন্ত্রণালয়।

প্রতিমন্ত্রী শিক্ষকদের নিয়মিত পাঠদানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি ও পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে সচেতন করার নির্দেশ দেন।

জ্বালানি সংকটের কারণে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হলেও শিক্ষা কার্যক্রমে যেন কোনো ব্যাঘাত না ঘটে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার কথা জানান তিনি।

এছাড়া প্রতিমন্ত্রী জানান, আগামী জুন-জুলাই মাস নাগাদ শিক্ষা খাতে নতুন কিছু যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে। মাঠপর্যায়ে সেই প্রস্তুতি যাচাই করতেই এই পরিদর্শন চালানো হচ্ছে।

অভিভাবকদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার এবং পরিস্থিতির অবনতি হলে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।