প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে জ্বালানি মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে তারা দেখা করেছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
আরও পড়ুন: এরদোগানকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর
তিনি বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের সাথে দেখা করেছেন জ্বালানি মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। জ্বালানি তেলের সর্বশেষ পরিস্থিতি তারা প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেছেন।”
“এর আগে পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সভা হয়। এতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সভাপতিত্ব করেন।”
আরও পড়ুন: অবর্ণনীয় দুর্ভোগে ঢাকায় ফিরছে কর্মজীবী মানুষ
সাক্ষাতের পর অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের জ্বালানি মন্ত্রী বলেন, “আমরা একটা যুদ্ধকালীন অবস্থার মধ্যে আছি। সারা বিশ্ব তাদের জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করেছে। এমনকি আমেরিকাও ৫ ডলার বাড়িয়ে দিয়েছে।”
“সেখানে আমরা বাংলাদেশে এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইমপোর্ট করে আমরা যে স্টক তৈরি করেছি, তার যে দাম পড়েছে সেই দামের থেকে নিচে আমরা এখন প্রাইস অ্যাডজাস্ট করছি। এটা করতে বাধ্য হয়েছি আমরা। কারণ এটা বৈদেশিক মুদ্রায় কিনতে হয়; সেটা যাতে বেড়ে আমরা সহনীয় লেভেলে থাকতে পারি সেই ব্যবস্থা করেছি।”
এক প্রশ্নের জবাবে জ্বালানি মন্ত্রী বলেন, “ভর্তুকি এখনো আছে। আপনি যদি সঠিক হিসাব জানতে চান সেটা মন্ত্রণালয়ে যেতে হবে।”
তিনি বলেন, “যুদ্ধের মানেই বিরূপ প্রভাব পড়া। এই যুদ্ধে শুধু বাংলাদেশ নয়, সারা পৃথিবীতে প্রভাব পড়েছে। আমাদের ওপরেও সেই প্রভাব আছে।”
এর আগে দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে সচিবালয়ে অফিসে আসেন প্রধানমন্ত্রী। দিনের কর্মসূচিতে প্রথমেই ছিল পানি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কমিটির সভা।
প্রধানমন্ত্রী এই সভায় সভাপতিত্ব করেন। এতে পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, পানি বিশেষজ্ঞ আইনুন নিশাতসহ মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছিলেন।
পরে এ্যানি সাংবাদিকদের বলেন, “সামনে বর্ষা আসছে, বন্যা হতে পারে, প্লাবন হতে পারে। আগাম আমাদের কী কী কাজ করা দরকার সেসব বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে আলোচনা হয়েছে। আমাদের পরিকল্পনাগুলো উনাকে অবহিত করা হয়েছে।”
“খাল খনন কর্মসূচি অব্যাহত আছে। আগামী ২৭ তারিখ যশোর এবং ২ মে সিলেটে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।”





