ঢাকায় পরীক্ষামূলক ১১০ মেগাওয়াট লোডশেডিং: সংসদে প্রতিমন্ত্রী

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৬:৪৬ অপরাহ্ন, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ৩:৫০ অপরাহ্ন, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

জাতীয় সংসদে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন, সেচ কার্যক্রম সচল রাখতে রাজধানী ঢাকায় পরীক্ষামূলকভাবে ১১০ মেগাওয়াট লোডশেডিং চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, দেশে বর্তমানে বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ঘাটতি রয়েছে। সর্বশেষ হিসেবে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল প্রায় ১৬ হাজার মেগাওয়াট, যেখানে উৎপাদন হয়েছে ১৪ হাজার ১২৬ মেগাওয়াটের কিছু বেশি। ফলে প্রায় ২ হাজার মেগাওয়াট ঘাটতি পূরণে লোডশেডিং করতে হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ১ আগস্ট থেকে গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক, না থাকলে মিলবে না নিবন্ধন ও ফিটনেস সনদ

প্রতিমন্ত্রী জানান, শহর ও গ্রামের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহে বৈষম্য কমাতে ঢাকায় এই পরীক্ষামূলক লোডশেডিং চালু করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ফসল কাটার মৌসুমে কৃষকদের সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও ডিজেল সরবরাহের নির্দেশ দিয়েছেন। সেই নির্দেশনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দেশে প্রতিদিন গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট হলেও সরবরাহ করা যাচ্ছে মাত্র ২ হাজার ৬৩৬ মিলিয়ন ঘনফুট। ফলে জ্বালানি খাতে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে দ্রুত গ্যাস আমদানি বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না, তবে আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে এ খাতে উন্নতি দৃশ্যমান হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

আরও পড়ুন: বেনজীর আহমেদকে দেশে ফেরাতে প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে, ইউএইর সঙ্গে প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া এগোচ্ছে

প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে একটি আমদানিনির্ভর এবং একটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বন্ধ রয়েছে, যা সরবরাহে প্রভাব ফেলছে। এসব কেন্দ্র পুনরায় চালু হলে আগামী সাত দিনের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

সাময়িক এই ভোগান্তির জন্য জনগণের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক পর্যায়ে আনতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।