শাহজালালসহ ৮ বিমানবন্দরে নিরাপত্তা জোরদার

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৪:১২ অপরাহ্ন, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ৬:২৫ অপরাহ্ন, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সম্ভাব্য জঙ্গি হামলার সতর্কতা জারির পর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ দেশের আটটি বিমানবন্দরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক নিরাপত্তা ঝুঁকির প্রেক্ষাপটে বিমানবন্দরগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবেশপথ, টার্মিনাল এলাকা ও সংবেদনশীল স্থাপনাগুলোতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: প্রস্তুতি শেষে দ্রুত স্থানীয় সরকার নির্বাচন: সংসদে মির্জা ফখরুল

পুলিশ সদর দপ্তর থেকে সতর্কতামূলক চিঠি পাওয়ার পরপরই বেবিচক উচ্চমাত্রার সতর্কতা জারি করে। বিমানবন্দরে কর্মরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সব ইউনিটকে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সূত্র আরও জানায়, গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো ঘিরে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পোশাকধারী ও সাদা পোশাকে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন রয়েছে। অ্যারাইভাল ও ডিপারচার—উভয় ক্ষেত্রেই নিরাপত্তা তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে। কোনো অস্বাভাবিকতা দেখা গেলে তাৎক্ষণিকভাবে রিপোর্ট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্টদের।

আরও পড়ুন: ড. ইউনূসের ভিআইপি মর্যাদার মেয়াদ কমিয়ে ৬ মাস করল সরকার

এর আগে, নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি উগ্রবাদী সংগঠনের সমর্থকদের সম্ভাব্য নাশকতার পরিকল্পনার তথ্যের ভিত্তিতে দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ দেয় পুলিশ সদর দপ্তর। এ নির্দেশনা রেঞ্জ ডিআইজি, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার এবং জেলা পুলিশ সুপারসহ সব ইউনিটে পাঠানো হয়।

গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার হওয়া উগ্রবাদী সদস্য ইসতিয়াক আহম্মেদ সামী ওরফে আবু বক্কর ওরফে আবু মোহাম্মদের সঙ্গে একটি বাহিনীর চাকরিচ্যুত দুই সদস্যের যোগাযোগ ছিল। এ চক্রটি জাতীয় সংসদ ভবন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর স্থাপনা, ধর্মীয় উপাসনালয়, বিনোদনকেন্দ্র এবং শাহবাগসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় হামলার পরিকল্পনা করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এছাড়া বোমা বিস্ফোরণের পাশাপাশি দেশীয় অস্ত্র বা আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করেও হামলার আশঙ্কা রয়েছে। বিভিন্ন বাহিনীর অস্ত্রাগারেও হামলার পরিকল্পনার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সম্ভাব্য যেকোনো নাশকতা প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার কার্যক্রম চলছে।