ইউজিসিতে তিন নতুন পূর্ণকালীন সদস্য, চার বছরের জন্য নিয়োগ

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৮:১৫ অপরাহ্ন, ২৬ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১২:৫৯ অপরাহ্ন, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার নীতি প্রণয়ন, মানোন্নয়ন ও তদারকির দায়িত্বে থাকা বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে (ইউজিসি) তিনজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদকে পূর্ণকালীন সদস্য হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। চার বছরের জন্য দেওয়া এই নিয়োগের মাধ্যমে কমিশনের নীতিনির্ধারণী কার্যক্রমে নতুন নেতৃত্ব যুক্ত হলো।

রোববার (২৬ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়-১ শাখা থেকে এ–সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন সিনিয়র সহকারী সচিব নাঈমা খন্দকার।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শহীদ সেনাসদস্যদের পরিবারের সাক্ষাৎ

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন আদেশ, ১৯৭৩ (রাষ্ট্রপতির আদেশ নম্বর-১০/৭৩)-এর সংশোধিত আইন, ১৯৯৮-এর ৪ (১) (বি) ধারা অনুযায়ী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক মো. মেহেদী খান, একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাসিউটিক্যাল কেমিস্ট্রি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আসলাম হোসেন এবং বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কুলার সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক প্রফেসর ড. নিয়াজ আহমেদ চৌধুরীকে ইউজিসির পূর্ণকালীন সদস্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নিয়োগপ্রাপ্ত সদস্যদের মেয়াদ হবে চার বছর। তবে প্রয়োজন মনে করলে সরকার নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তাদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিতে পারবে।

আরও পড়ুন: ময়মনসিংহ মেডিকেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন

নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, তিনজন শিক্ষাবিদ তাদের অব্যবহিত পূর্ববর্তী পদে সর্বশেষ আহরিত বেতন-ভাতা বহাল রাখবেন। পাশাপাশি কমিশনের পূর্ণকালীন সদস্য হিসেবে প্রচলিত বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাও ভোগ করবেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যোগদানের তারিখ থেকেই এ নিয়োগ কার্যকর হবে।

উল্লেখ্য, দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা কার্যক্রমের মানোন্নয়ন, নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন, উচ্চশিক্ষা নীতির বাস্তবায়ন, গবেষণা ও একাডেমিক উন্নয়নে পরামর্শ প্রদানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। ফলে কমিশনে নতুন সদস্যদের অন্তর্ভুক্তি উচ্চশিক্ষা খাতের নীতিনির্ধারণ ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে নতুন গতি সঞ্চার করবে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের প্রত্যাশা।