‘আমার ৩ শিশু কন্যাকে দেখে রাইখেন’, হত্যার হুমকি পেয়ে আমির হামজার আকুতি

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৯:০২ অপরাহ্ন, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৯:০২ অপরাহ্ন, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও আলোচিত ইসলামী বক্তা মুফতি আমির হামজাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) বিকাল ৪টা ৩৬ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: যুবদলের নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ যুবদলের ফুলেল শুভেচ্ছা

মুফতি আমির হামজা লিখেছেন, "একটু জানিয়ে রাখি, শনিবার থেকে বিভিন্ন মাধ্যমে আমাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমি মৃত্যুর জন্য সব সময় প্রস্তুত, ইনশাআল্লাহ। আপনাদের কাছে অনুরোধ রইল, আমার অনুপস্থিতিতে কুষ্টিয়াতে যেই ইনসাফ কায়েমের লড়াই আমরা শুরু করেছি, সেটা প্রতিষ্ঠিত কইরেন এবং আমার ৩ শিশু কন্যাকে একটু দেখে রাইখেন।"

এর আগে, প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর নাম বিকৃতভাবে উল্লেখ করার প্রতিবাদে রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় বটতৈল মোড় থেকে মিছিল বের হয়ে চৌড়হাসে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে অংশ নেওয়া নারীরা মুফতি আমির হামজার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

আরও পড়ুন: বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে ছাত্রদল সহ সভাপতি ডাঃ আউয়ালের নেতৃত্বে মিছিল

তারা বলেন, "আমির হামজা একজন আলেম হয়ে কি এ ধরনের কথা বলতে পারেন? একজন মৃত মানুষকে নিয়ে কোনো আলেম এ ধরনের কুরুচিপূর্ণ কথা বলতে পারেন না।"

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) থেকে প্রায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোকে নিয়ে মুফতি আমির হামজার দেওয়া একটি ২৪ সেকেন্ডের ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় নিন্দার ঝড় ওঠে।

ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর মুফতি আমির হামজা এক ফেসবুক পোস্টে বলেন, "মরহুম আরাফাত রহমান কোকো সাহেবকে নিয়ে আমার দেওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত বক্তৃতাটি ছিল ২০২৩ সালের। আমি সেই সময়ই একটি বিষয় বুঝাতে গিয়ে উদাহরণটি দিয়ে ভুল করায় দুঃখ প্রকাশ করেছিলাম। এখন আবারও দুঃখ প্রকাশ করছি; কিন্তু পুরোনো বক্তব্য যারা সামনে এনে নির্বাচনকালীন সময়ের বক্তব্য বলে চালানোর ষড়যন্ত্র করছেন, তারাও নিজ রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে গিয়ে নিজ দলের সর্বোচ্চ পর্যায়ের একজন মরহুম ব্যক্তিকেও ছাড় দেননি।"