ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণতন্ত্র: ড. আলী রীয়াজের গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৪:২৩ অপরাহ্ন, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৪:২৩ অপরাহ্ন, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আলী রীয়াজ বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন না হলে বাংলাদেশ বৃত্তচক্রে আটকে যাবে এবং গণতান্ত্রিক রূপান্তর সম্ভব হবে না। বুধবার সকালে ‘শান্তিপূর্ণ নির্বাচন ও সহিংসতা প্রতিরোধ: মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতার আলোকে’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় এ মন্তব্য করেন। রাজধানীর লেকশোর হোটেলে আয়োজনটি করে গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউট।

ড. আলী রীয়াজ বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাংলাদেশের জনগণ ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একটি চুক্তি। ৩০টি রাজনৈতিক দল দীর্ঘ নয় মাস ধরে আলোচনার মাধ্যমে এজেন্ডা তৈরি করেছে। এই চুক্তির বাস্তবায়ন রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব। এটি চাপিয়ে দেওয়া যায় না, এটি অগণিত শহীদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের মাধ্যম।

আরও পড়ুন: যারাই বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করবে, তাদের ‘গুপ্ত’ বলবেন: তারেক রহমান

তিনি আরও বলেন, গণঅভ্যুত্থান রায় দিয়েছে, বাংলাদেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। যারা অন্যায় করেছে, তাদের বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। ক্ষমতার ভারসাম্য তৈরি করে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে এবং মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য নির্বাচন অপরিহার্য।

ড. আলী রীয়াজ বলেন, “ন্যায়বিচার চাই, সংস্কার চাই এবং নতুন গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই—তাহলে নির্বাচন ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। গণভোট, নির্বাচন ও সংবিধান সংস্কারের ক্ষমতা জনগণের হাতে। এই জাতীয় নির্বাচন অন্যান্য ১২টি নির্বাচনের মতো নয়। এটি চব্বিশের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার পর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই নির্বাচনের সফলতা নির্ভর করছে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের উপর।

আরও পড়ুন: ১৪ হাজার সাংবাদিকের তথ্য ফাঁস!

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী বলেন,  কিছু সংস্কার এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়েছে। বিদ্যমান সংবিধান বাংলাদেশের ফ্যাসিবাদী শাসন তৈরি করতে সাহায্য করেছে। তাই সংবিধান অক্ষুণ্ণ রেখে এগোলে দেশ আবারও ভুলের পথে যাবে।

উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ইনস্টিটিউটের সভাপতি সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ূন কবির ও ডিসটিংগুইসড ফেলো সাবেক রাষ্ট্রদূত ফারুক সোবহান। সার্ভে প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন চৌধুরী সামিউল হক। আলোচনায় বিভিন্ন শ্রেণি, পেশা, সংস্থা ও রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।