প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিশ্বনেতাদের অভিনন্দন
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় বিশ্বনেতাদের শুভেচ্ছায় সিক্ত হয়েছেন তারেক রহমান। অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচিসহ অন্যান্য বিশ্বনেতারা। তারা তার নেতৃত্বাধীন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
মঙ্গলবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তারেক রহমান। এ উপলক্ষে নরেন্দ্র মোদি এক চিঠিতে তাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। চিঠিতে তিনি সদ্যসমাপ্ত সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–বিএনপির বিজয়ে শুভেচ্ছা জানান এবং দায়িত্ব পালনে সাফল্য কামনা করেন। পাশাপাশি সুবিধাজনক সময়ে ভারত সফরের আমন্ত্রণও জানান তিনি।
আরও পড়ুন: যুবদলের নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ যুবদলের ফুলেল শুভেচ্ছা
মোদি উল্লেখ করেন, এ বিজয় বাংলাদেশের জনগণের তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতিফলন। তিনি বলেন, সংযোগ, বাণিজ্য, প্রযুক্তি, শিক্ষা, জ্বালানি, স্বাস্থ্যসেবা ও সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদারে ভারত আগ্রহী।
অন্যদিকে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং তার বার্তায় বলেন, চীন ও বাংলাদেশ দীর্ঘদিনের কৌশলগত অংশীদার। কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫১ বছরে দুই দেশ পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। উচ্চমানের বেল্ট অ্যান্ড রোড সহযোগিতার মাধ্যমে সম্পর্ক আরও গভীর করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
আরও পড়ুন: বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে ছাত্রদল সহ সভাপতি ডাঃ আউয়ালের নেতৃত্বে মিছিল
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচিও তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ জাপানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। কৌশলগত অংশীদারত্বের ভিত্তিতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করার আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।
শপথ অনুষ্ঠানে বিদেশি অতিথিদের উপস্থিতি
জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে আয়োজিত শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জো, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, পাকিস্তানের পরিকল্পনামন্ত্রী আহসান ইকবাল, নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দা শর্মা, শ্রীলঙ্কার স্বাস্থ্যমন্ত্রী নালিন্দা জয়াতিসাসহ আরও অনেকে।
শপথের পর মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জো প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, স্বাস্থ্য, পরিবেশ, উচ্চশিক্ষা ও বিমান যোগাযোগ সম্প্রসারণসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
এছাড়া শপথ অনুষ্ঠানের পর ওম বিড়লা প্রধানমন্ত্রীর হাতে নরেন্দ্র মোদির পাঠানো ব্যক্তিগত চিঠি তুলে দেন এবং দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারত্ব আরও গভীর করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।





