কুমিল্লায় যুবককে হত্যার পর মরদেহ ফেলা হয় কক্সবাজারে, গ্রেপ্তার ২

Sadek Ali
মো. মাসুদ রানা, কুমিল্লা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৮:৫০ পূর্বাহ্ন, ০৮ অগাস্ট ২০২৫ | আপডেট: ১:৪৯ অপরাহ্ন, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

কুমিল্লা নগরীতে সজিব হোসেন নামের এক যুবককে অপহরণের পর মুক্তিপণের টাকা না পেয়ে হত্যার পর মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সযোগে ফেলা হয় কক্সবাজারের সমুদ্রে।

বুধবার (৬ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার ইনানী সমুদ্র সৈকত এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে থানা পুলিশ। এ ঘটনায় মোবাইল কলের সূত্র ধরে আজ বৃহস্পতিবার হত্যায় জড়িত দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ। তবে গ্রেপ্তারকৃতদের নাম প্রকাশ করেনি পুলিশ। 

আরও পড়ুন: আপিলও খারিজ, মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী নির্বাচন করতে পারবেন না

কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলাম রাতে দৈনিক বাংলাবাজার পত্রিকা  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহত সজিব কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার ভাউকসার এলাকার কামাল হোসেনের ছেলে।

পুলিশ জানায়, গত ১ আগস্ট সজিব কুমিল্লা শহরে ডাক্তার দেখাতে যান। এরপর থেকে তার মোবাইল নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়। পরিবারের লোকজন তাকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও না পেয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। পরে অজ্ঞাত মোবাইল নম্বর থেকে সজিবের বাবার মোবাইলে ফোন করে ১ লাখ টাকা মুক্তিপণ চাওয়া হয়। পরিবার সে টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এর পরই তাকে কয়েক দফা নির্যাতনে মৃত্যু হলে মরদেহ নেওয়া হয় কক্সবাজার।  

আরও পড়ুন: নেত্রকোণায় উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে কোটা প্রস্তাবের প্রতিবাদে মানববন্ধন

বুধবার বিকেলে কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্র সৈকতে অজ্ঞাত এক যুবকের মরদেহ ভেসে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন স্থানীয়রা। পরে ফিঙ্গার পিন্ট রিডারে তার পরিচয় পুলিশ জানতে পারে ভেসে ওঠা মরদেহটি নিখোঁজ হওয়া সজিবের। এ ঘটনায় তদন্তে নেমে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের সহযোগিতায় আজ বৃহস্পতিবার ২ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ওসি মহিনুল ইসলাম দৈনিক বাংলাবাজার পত্রিকা  বলেন, সজিবকে হত্যার পর সাগরে মরদেহ ভাসিয়ে দেওয়া হয়। মুক্তিপণের জন্যই প্রথমে অপহরণ এবং পরে হত্যা করা হয়। ঘটনায় জড়িত দুইজনকে আমরা গ্রেপ্তার করেছি। তদন্তের স্বার্থে এখন তাদের নাম-পরিচয় বলা যাচ্ছে না। ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। মরদেহের কক্সবাজারে ময়নাতদন্তের পর রাতেই পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।