দুইদিন বিরতির পর শুরু ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মুলতবি অধিবেশন

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:১৩ পূর্বাহ্ন, ১৫ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ৪:৩৪ অপরাহ্ন, ১৬ মার্চ ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

দুইদিন বিরতির পর রোববার বেলা ১১টার পর শুরু হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ-এর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মুলতবি অধিবেশন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার নতুন সংসদের যাত্রা শুরু হয়। ওইদিন রাষ্ট্রপতির ভাষণের পর সংসদ মুলতবি ঘোষণা করেছিলেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

আরও পড়ুন: ১ আগস্ট থেকে গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক, না থাকলে মিলবে না নিবন্ধন ও ফিটনেস সনদ

জাতীয় সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, দিনের কার্যসূচিতে রয়েছে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রশ্নোত্তর পর্ব। এর মধ্যে রয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত প্রশ্নোত্তর।

এছাড়া জরুরি জন-গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ (বিধি-৭১) নোটিশ নিষ্পত্তি, রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব এবং এ বিষয়ে আলোচনা কার্যসূচিতে রয়েছে।

আরও পড়ুন: বেনজীর আহমেদকে দেশে ফেরাতে প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে, ইউএইর সঙ্গে প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া এগোচ্ছে

এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে বলে জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারি ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন বিকাল ৩টায় অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে।

সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ। সেখানে প্রথম অধিবেশনের কার্যসূচি ও সময় নির্ধারণ নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর মোট ৫০ ঘণ্টা আলোচনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য আটটি এবং অন্যান্য মন্ত্রীর জন্য ৪৬০টি প্রশ্নসহ মোট ৪৬৮টি প্রশ্ন জমা পড়েছে।

এছাড়া বিধি-৭১ অনুযায়ী মনোযোগ আকর্ষণের ২৭টি নোটিশ এবং বিধি-১৩১ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত-প্রস্তাবের ৯৭টি নোটিশ পাওয়া গেছে।

এর আগে প্রথম অধিবেশনের শুরুতে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন-এর সভাপতিত্বে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান স্পিকার হিসেবে মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের নাম প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে গৃহীত হয়।

একইভাবে ডেপুটি স্পিকার হিসেবে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল-এর নাম ঘোষণা করা হয়। পরে মো. সাহাবুদ্দিন নবনির্বাচিত স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথবাক্য পাঠ করান।