ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় র্যাবের পৃথক অভিযানে আড়াই মন গাঁজা উদ্ধার, গ্রেফতার ২
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-৯-এর পৃথক দুটি অভিযানে একই দিনে মোট আড়াই মন (৯৬ কেজি) গাঁজা উদ্ধার এবং দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
র্যাব-৯, সিপিসি-১ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) জানায়, ১২ নভেম্বর (বুধবার) দুপুরে তারা গোপন সূত্রে জানতে পারে, হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর সীমান্ত এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ গাঁজা নিয়ে দুই ব্যক্তি একটি পুরাতন সাদা রঙের মাহিন্দ্রা গাড়িতে কুমিল্লা অভিমুখে আসছে। তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব সদস্যরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার পৈরতলা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন “হালাল বেকারী অ্যান্ড সুইটস” দোকানের সামনে চেকপোস্ট স্থাপন করে।
আরও পড়ুন: করিমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দালালচক্রের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট
দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটের দিকে সন্দেহভাজন গাড়িটি আসলে র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে দুই ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করেন। তবে র্যাব সদস্যরা তাদের আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, গাড়ির পাটাতনের নিচে বিশেষভাবে লুকানো আছে গাঁজা। স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে গাড়ির পাটাতনের নিচ থেকে নীল রঙের পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় ৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। আটককৃতরা হলেন—
১. মো. লিটন মিয়া (৩০), পিতা: মুত আব্দুল জাহির মিয়া, গ্রাম: বড়াইল, উপজেলা: চুনারুঘাট, জেলা: হবিগঞ্জ।
আরও পড়ুন: নিষেধাজ্ঞার পর আরিচা মহাসড়কে নিন্ত্রণহীনভাবে অটোরিকশা চলাচল
২. মো. শামীম আহমেদ (৫০), পিতা: মুত শামছুল হক, গ্রাম: চরগজারিয়া, উপজেলা: বাকেরগঞ্জ, জেলা: বরিশাল।
একই দিনে র্যাব-৯-এর আরেকটি দল বিজয়নগর থানার সিংগারবিল ইউনিয়নের কাশিমনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও ৩৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে।
র্যাব-৯, সিলেটের মিডিয়া অফিসার (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার) কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মামলা দায়ের করে জব্দকৃত গাঁজাসহ সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, মাদকবিরোধী জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে র্যাব-৯-এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।





