নরসিংদীতে ভয়াবহ ভূমিকম্পের অবশেষ যা জানা গেল
নরসিংদীতে স্মরণকালের ভয়াবহ ভূমিকম্পের ফলে এ পর্যন্ত পাঁচজনের প্রাণহানি সহ প্রায় শতাধিক মানুষ আহত ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে নরসিংদী জেলা প্রশাসক প্রাথমিকভাবে জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে শুক্রবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে জেলা প্রশাসকের বরাত দিয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আবু তাহের মো. সামসুজ্জামান সর্বশেষ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
আরও পড়ুন: গাজীপুর প্রেসক্লাবের নির্বাচন ঘিরে সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন
নিহতরা হলেন—নরসিংদী শহরতলীর গাবতলি এলাকার দেলোয়ার হোসেন ও শিশু সন্তান হাফেজ ওমর (৮), পলাশ উপজেলার চরসিন্দুর ইউনিয়নের মালিতা পশ্চিমপাড়া গ্রামের কাজেম আলী ভূঁইয়া (৭৫), একই উপজেলার ডাংগা ইউনিয়নের ইসলামপাড়া গ্রামের বাসিন্দা নাসিরউদ্দিন (৬০) এবং শিবপুর উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের আজকিতলা (পূর্বপাড়া) গ্রামের ফোরকান (৪০)।
আর আহত হয়েছেন প্রায় শতাধিক মানুষ।
আরও পড়ুন: নিত্যপণ্যের বাজারদর নিয়ে এমপি মান্নানের লিফলেট বিতরণ
এদিকে ভূমিকম্পে সরকারি স্থাপনাগুলোও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সাবস্টেশনে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হলে সাবস্টেশনের বিপুল পরিমাণ প্রডাকশন ট্রান্সফরমার ভেঙে পড়ে, ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার কারখানার ইউরিয়া প্রডাকশনও সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায় এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও সার্কিট হাউসসহ প্রায় শতাধিক ভবনে ফাটল দেখা দিয়েছে।
তিনি আরও জানান, ভূমিকম্প–সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি ও দুর্যোগ–সংশ্লিষ্ট তথ্যের জন্য জেলা প্রশাসন থেকে কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর রাখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠে সারাদেশ।
ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) নামের মার্কিন এক গবেষণায় জানা গেছে, বাংলাদেশের ভূমিকম্পটির রিখটার স্কেলে তীব্রতা ছিল ৫ দশমিক ৭ এবং এর উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদী শহর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে মাধবদী ও পলাশের মধ্যবর্তী স্থানে।





