শেরপুরে ধানের শীষের এজেন্টকে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠালো জামায়াত কর্মীরা

Sadek Ali
রাকিবুল আওয়াল পাপুল, শেরপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১২:৪৩ অপরাহ্ন, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৪:৫৬ অপরাহ্ন, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

জামায়াতের কর্মীরা শেরপুরে বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্টকে পথ আটকিয়ে মারধর ও মোটের সাইকেল ভাংচুর করেছে।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) রাত পৌনে ৮টার দিকে সদর উপজেলার চরশেরপুর ইউনিয়নের হেরুয়া-বালুরঘাটের নামাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

আরও পড়ুন: সেলফি তুলতে গিয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে যুবকের মৃত্যু

আহত গিয়াস উদ্দিন রাসেল মিয়াকে (৩৫) শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার মাথা, মুখসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

গিয়াস উদ্দিন রাসেল দৈনিক ভোরের চেতনার শেরপুর জেলা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

আরও পড়ুন: পরিত্যক্ত মুদি দোকানে মিললো তিন বালতি ককটেল

গিয়াস উদ্দিন রাসেল শেরপুর-১ (সদর) আসনে হেরুয়া বালুরঘাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে বিএনপির প্রার্থী ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াংকার প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট ছিলেন। 

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রাসেল অভিযোগ করে বলেন, আমি বিএনপি করি, ধানের শীষের নির্বাচনী এজেন্ট ছিলাম, এ কারণেই আমার ওপর জামায়াতের কর্মী-সমর্থকরা হামলা চালিয়েছে। জামায়াত সমর্থক স্থানীয় কেরামত, জামাল, সোহেল, মনির ও তার ভাইয়ের নেতৃত্বে ১২/১৩ জন মিলে আমার ওপর এ হামলা চালিয়েছে। 

তিনি বলেন, একটি মোটরসাইকেলে তিনজন ব্যক্তি আমার পিছু পিছু আসছিল।

তারা আমাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। সেখানে আরো ৮-৯ জন সন্ত্রাসী ছিলো। তারা সবাই মিলে আমার ওপর হামলা চালায়। আমি প্রাণ বাঁচাতে একটি দোকানে আশ্রয় নিলে সেখানে গিয়েও আমাকে মারধর করে।

এঘটনার শেরপুর সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আকরামুজ্জামান রাহাতসহ বিএনপি নেতারা হাসপাতালে যান। 

সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, জামায়াতের এমপি রাশেদুল ইসলাম নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন স্থানে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, ভাংচুর করে আসছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। রাসেলের ওপর হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি। 

এ ঘটনায় বিএনপির এমপি প্রার্থী ডাঃ সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা প্রতিবাদ জানিয়ে দ্রুত এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানান। 

 এ বিষয়ে শেরপুর সদর থানার ওসি সোহেল রানা বলেন, ঘটনাটি জেনেছি। এ ব্যাপারে অভিযোগ পেলে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।