গোবিন্দগঞ্জে স্কুল শিক্ষিকা শামসুন্নাহার রুমা হত্যার ঘটনায় তার দ্বিতীয় স্বামী মামুন আটক

Sadek Ali
এ.এস.এম রবিউল হাসান, গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৪:১১ অপরাহ্ন, ০১ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ২:০৮ পূর্বাহ্ন, ০১ অগাস্ট ২০২৬
স্কুল শিক্ষিকা শামসুন্নাহার রুমা ও নিহতের দ্বিতীয় স্বামী মামুনুর রশিদ চৌধুরী মামুন। ছবিঃ কোলাজ
স্কুল শিক্ষিকা শামসুন্নাহার রুমা ও নিহতের দ্বিতীয় স্বামী মামুনুর রশিদ চৌধুরী মামুন। ছবিঃ কোলাজ

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে স্কুল শিক্ষিকা শামসুন্নাহার রুমা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বর্তমান স্বামী মামুনুর রশিদ চৌধুরী মামুনকে (৫২) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার রাতেই পুলিশ তাকে আটক করে।

গত শনিবার বিকেলে গোবিন্দগঞ্জ পৌর শহরের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পশ্চিম পার্শ্বে চক গোবিন্দপুর (পুরাতন বন্দর) গ্রামের নিজ বাসা থেকে পুলিশ ওই শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় তার হাত-পা গামছা দিয়ে বাঁধাসহ গলায় ওড়না পেঁচানো ছিল এবং তার নিথর দেহ ঘরের মেঝেতে পড়ে ছিল। ঘরের আসবাবপত্র ছড়ানো-ছিটানো অবস্থায় পড়ে ছিল। নিহত রুমা গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার কর্মচারী মামুনুর রশিদ চৌধুরীর দ্বিতীয় স্ত্রী এবং উপজেলার ফুলবাড়ী ইউনিয়নের ফুলবাড়ী গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সোলাইমান আলীর মেয়ে। তিনি উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়নের চন্ডিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মার্কিন বিশেষ দূত, শুনলেন শরণার্থীদের সংকট ও প্রত্যাবাসনের দাবি

স্কুল শিক্ষিকা রুমা তার প্রথম স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর এক পুত্র সন্তান নিয়ে বাবার মালিকানাধীন ওই বাসায় থাকতেন। পড়াশোনার কারণে তার ছেলে ঢাকায় থাকার ফলে তিনি ওই বাসায় একাই থাকতেন এবং মাঝে মধ্যে তার দ্বিতীয় স্বামী মামুনুর রশিদ চৌধুরী মামুনও তার সঙ্গে সেখানে থাকতেন। এ ঘটনায় নিহত স্কুল শিক্ষিকার ভাই রোকনুজ্জামান রুবেল বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে গতকাল শনিবার রাতেই থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক জানান, নিহত স্কুল শিক্ষিকার দ্বিতীয় স্বামী গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার কর্মচারী মামুনুর রশিদ চৌধুরী মামুনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে এবং নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য আজ রোববার গাইবান্ধা সদর আধুনিক হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে মৃত্যুর কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশের ক্রাইমসিন বিভাগ কাজ করছে। এখন পর্যন্ত হত্যার কারণ সম্পর্কে জানা সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন: ফেনীর সংঘর্ষ মামলায় রাজধানী থেকে গ্রেফতার বিএনপি নেতা আলমগীর