হঠাৎ হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

Sadek Ali
আশিকুর রহমান, নরসিংদী
প্রকাশিত: ২:৪১ অপরাহ্ন, ০৭ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ২:৪১ অপরাহ্ন, ০৭ মার্চ ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

নরসিংদীর পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হঠাৎ পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তারদের সময়মতো কর্মস্থলে উপস্থিত না হওয়ার অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনি এই পরিদর্শন করেন। 

শনিবার (৭ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে পলাশ উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে আসেন তিনি।

আরও পড়ুন: শ্রীপুরে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় নারীকে গুলি, স্বামীকে কুপিয়ে জখম

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হাসপাতালে কর্তব্যরত ২১ ডাক্তারের মধ্যে ৫ জন ছুটিতে ছিলেন। বাকি ১৬ জনের মধ্যে ৮ জনের উপস্থিতি দেখতে পান। এর মধ্যে ২ ডাক্তার আবার দেরি করে আসেন। পরে তিনি হাসপাতালের জরুরি বিভাগ, রোগীদের ওয়ার্ড, ডাক্তারদের চেম্বারগুলো পরিদর্শনসহ সার্বিক সেবা কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন।

এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, গত ৫ মার্চ সংবাদ মাধ্যমে একটি প্রতিবেদন দেখতে পাই। সেখানে উল্লেখ ছিল, ‘হাসপাতালে ডাক্তাররা সময়মতো উপস্থিত নন, এর পরবর্তীতে ডাক্তাররা স্টেটমেন্ট দিয়েছিলেন, ডাক্তাররা উপরে ছিলেন, আর সংবাদকর্মীরা নিচে ছিলেন।’ সংবাদটি প্রকাশের পর ঘটনার সত্যতা যাচাই করতেই তিনি এই আকস্মিক পরিদর্শনে আসেন।

আরও পড়ুন: চুয়াডাঙ্গায় ইজিবাইকের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধের

তিনি আরও বলেন, এখানে এসে আমি নিজেই হতাশ। যেখানে মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগে একটি রিপোর্ট প্রকাশ হওয়ার পর আমি ভাবছিলাম সব ডাক্তার যার যার কর্মস্থলে সঠিক সময়ে উপস্থিত থাকবেন, কিন্তু পরিদর্শনে এসে সেটা দেখতে পাইনি। এ হাসপাতালে মোট ২৭টি পোস্ট রয়েছে, কর্মরত পোস্টে ডাক্তার আছেন ২১ জন, তার মধ্যে উপস্থিত ছিল মাত্র ৮ জন ডাক্তার। কিন্তু এ ৮ জনের মধ্যেও ২ জন নির্ধারিত সময়ের পর আসেন। এছাড়া ৫ জন ডাক্তার ছুটিতে রয়েছেন। ডাক্তাররা মানবিক কাজ করেন। আমরা স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চাই, তা ডাক্তারদের মাধ্যমেই পৌঁছে দেওয়া হবে। কিন্তু তারাই সময়মতো উপস্থিত হননি। যারা উপস্থিত হননি তাদের বিরুদ্ধে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা নগদ টাকা দিয়ে রেবিক্স টিকা কিনছি। প্রতি উপজেলায় টিকা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। দেশে রেবিক্স টিকার আর সমস্যা হবে না।

এ সময় পলাশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইশতিয়াক আহমেদ, পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কাজী মোহাম্মদ আতিকুল ইসলাম, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আব্দুল্লাহ আল-মামুন, পলাশ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কুতুবুল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।