৭ মার্চ : তারেক রহমানের ২০তম কারাবন্দি দিবস
২০০৭ সালের আজকের এই দিনে (৭ মার্চ) কোনো ওয়ারেন্ট, মামলা, জিডি কিংবা সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ ছাড়াই তৎকালীন বিতর্কিত জরুরি অবস্থার সরকারের আমলে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে। দীর্ঘ ১৮ বছর পেরিয়ে গেলেও সেই দিনটিকে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী মানুষেরা ‘ষড়যন্ত্রের কালো দিবস’ হিসেবে স্মরণ করে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ১/১১-এর জরুরি অবস্থাকালীন দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীদের মূল লক্ষ্য ছিলেন তারেক রহমান। মূলত বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী শক্তিকে নেতৃত্বশূন্য করা এবং বিএনপিকে রাজনৈতিকভাবে দুর্বল করতেই তাকে টার্গেট করা হয়েছিল। সে সময় গণতন্ত্রের পথকে বাধাগ্রস্ত করতে তার বিরুদ্ধে একের পর এক ভিত্তিহীন ও মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ নয় ‘সবার আগে যুক্তরাষ্ট্র’ নীতিতে সরকার চলছে: আনু মোহাম্মদ
তারেক রহমানকে গ্রেপ্তারের পর তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ২ বছর এবং পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ শাসনামলে দেশ-বিদেশে ব্যাপক অনুসন্ধান চালানো হয়েছে। তবে দীর্ঘ এই সময়ে তারা তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি। বিএনপি নেতাকর্মীদের দাবি, কেবল রাজনৈতিকভাবে হেয় করতেই এই মামলাগুলো টিকিয়ে রাখা হয়েছে।
বর্তমানে সুদূর প্রবাসে থেকেও তারেক রহমান বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ৭ মার্চের সেই বিতর্কিত গ্রেপ্তার আজও দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি কালো অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। দলীয় নেতাকর্মীরা মনে করেন, দেশপ্রেমিক নেতৃত্বকে স্তব্ধ করতেই সেদিন আইনি প্রক্রিয়া লঙ্ঘন করে তাকে কারাবন্দি করা হয়েছিল।
আরও পড়ুন: সংরক্ষিত নারী আসনে নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা





