রমনার বটমূলে ভোরের সুরে নতুন বছরকে বরণ

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

আজ পহেলা বৈশাখ। জীর্ণ পুরাতনকে পেছনে ফেলে নতুনের আহ্বানে যাত্রা শুরু হলো বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-এর। ভোরের প্রথম আলো ফোটার সাথে সাথেই রাজধানীসহ সারা দেশ মেতে উঠেছে উৎসবের আমেজে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালির এই প্রাণের উৎসবে নতুন স্বপ্ন আর সম্ভাবনার বার্তা নিয়ে এসেছে নববর্ষ।


আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে সাবেক মেয়র মনজুর আলমের বাসায় গিয়ে তোপের মুখে হাসনাত আবদুল্লাহ

ভোরের স্নিগ্ধতায় রমনা বটমূলে প্রতিবারের মতো এবারও বর্ষবরণের মূল অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে ছায়ানট। বাঁশির সুর আর ভৈরব রাগের মধ্য দিয়ে শুরু হয় এই ঐতিহ্যবাহী আয়োজন। শিল্পীদের সম্মিলিত কণ্ঠে "এসো হে বৈশাখ, এসো এসো" গানে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা রমনা এলাকা। অশুভ শক্তিকে পেছনে ফেলে একটি মানবিক ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে এবারের প্রভাতী আসরে।


আরও পড়ুন: আশুলিয়ায় ডিবির অভিযানে অস্ত্রসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেফতার

এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে সকাল ৯টায় বের হতে যাচ্ছে ইউনেস্কো স্বীকৃত বিশ্বের অন্যতম সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা।


উৎসবকে নির্বিঘ্ন ও আনন্দময় করতে রাজধানীজুড়ে নেওয়া হয়েছে কঠোর ও নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা। রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন পুরো এলাকাকে নিয়ে আসা হয়েছে নিরাপত্তার চাদরে। প্রতিটি প্রবেশপথে আর্চওয়ে এবং মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে তল্লাশি করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উৎসবস্থলে সিসিটিভি ক্যামেরা ও ওয়াচ টাওয়ারের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হচ্ছে।


লাল-সাদা পোশাকে সেজে বাঙালি আজ জানান দিচ্ছে তার হাজার বছরের সাংস্কৃতিক পরিচয়। পান্তা-ইলিশ, হালখাতা আর মেলায় মেলায় মুখর আজ বাংলাদেশ। সকল গ্লানি মুছে একটি সুখী ও সমৃদ্ধ আগামীর প্রত্যাশায় আনন্দঘন পরিবেশে নতুন বছরকে বরণ করে নিচ্ছে সাধারণ মানুষ।