বাউফলে পানি নিষ্কাশনের পাইপ বসানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৩ জন
পটুয়াখালীর বাউফলে পথের পানি নিষ্কাশনের জন্য মাটির নিচে পাইপ বসানোকে কেন্দ্র করে রবিন হাওলাদার (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় তার (রবিনের) স্ত্রী ঠাকু রানী (৪৫) ও দুই ছেলে রনি হাওলাদার (২২), হৃদয় হাওলাদার (২৪)-কে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়েছে। বুধবার (০৩ জুন) সকাল ৮টার দিকে বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড লঞ্চঘাট এলাকায় হাওলাদার বাড়িতে এ ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় ও থানা সূত্রে জানা যায়, বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড কালাইয়া গ্রামের লঞ্চঘাট এলাকায় হাওলাদার বাড়ির পানি নিষ্কাশনের জন্য মাটির নিচ দিয়ে পাইপ বসানোকে কেন্দ্র করে একই গ্রামের পাশাপাশি বাড়ির আনন্দ ব্যাপারী গংদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে রতন ব্যাপারীর নেতৃত্বে ৮ থেকে ১০ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে রবিন হাওলাদার (৫৫)-এর ওপর হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করে। তাকে রক্ষা করতে গেলে তার (রবিনের) স্ত্রী ঠাকু রানী (৪৫) ও দুই ছেলে রনি হাওলাদার (২২), হৃদয় হাওলাদার (২৪)-কেও পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।
আরও পড়ুন: কোটচাঁদপুরে প্রেসক্লাবের দুই প্রয়াত সাংবাদিকের স্মরণে দোয়া ও স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত
স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক রবিন হাওলাদারকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত তার স্ত্রী ও দুই ছেলে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় আনন্দ ব্যাপারী (৬০), কুসুম রানী (৫০), রতন ব্যাপারী (৩০), প্রদীপ ব্যাপারী (২৫), সুজন ব্যাপারী (২৬) ও সুশান্ত ব্যাপারীকে (৬০) আটক করেছে বাউফল থানা পুলিশ।
আরও পড়ুন: কুবিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ছাত্রদলের স্মারকলিপি
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।





