দৌলতদিয়ায় পদ্মায় পড়ে যাওয়া বাস উদ্ধার, হতাহতের ঘটনা নেই

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ২:২৭ অপরাহ্ন, ০৫ জুন ২০২৬ | আপডেট: ২:২৭ অপরাহ্ন, ০৫ জুন ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়া যাত্রীবাহী বাসটি উদ্ধার করা হয়েছে। ফেরিতে ওঠার আগে বাসের সব যাত্রী নেমে যাওয়ায় এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দুর্ঘটনাটি ঘটে। পরে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’র সহায়তায় বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটের দিকে বাসটি নদী থেকে উদ্ধার করা হয়। বাসের চালক ও হেলপারকেও জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের ভেতরে বর্জ্য স্টেশন নির্মাণ, পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা; কাজ বন্ধে আদালতের নির্দেশ

বাসটির যাত্রী হীরক আহমেদ জানান, তিনি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী এসবি পরিবহনের বাসে যাত্রা করেছিলেন। বাসটিতে প্রায় ৩৮ জন যাত্রী ছিলেন। সকাল ৭টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা বাসটি সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটে পৌঁছায়।

তিনি বলেন, ফেরিতে ওঠার আগে চালক ও হেলপার ছাড়া সব যাত্রী বাস থেকে নেমে যান। পরে ফেরিতে ওঠার সময় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পন্টুন থেকে সরাসরি পদ্মা নদীতে পড়ে যায়।

আরও পড়ুন: লক্ষ্মীপুরে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার

বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন জানান, কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী এসবি পরিবহনের বাসটি ফেরিঘাটের পন্টুন এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। তবে বাসে কোনো যাত্রী না থাকায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো যাত্রী বা অন্য কারও নিখোঁজ হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি।

রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন বলেন, ঘটনাস্থল পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় হতাহত হওয়ার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা সফলভাবে বাসটি নদী থেকে উদ্ধার করেছে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের মার্চ মাসে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আরেকটি বাস নদীতে পড়ে ভয়াবহ প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছিল। সেই ঘটনার পর ফেরিঘাটে যানবাহন চলাচলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছিল। সর্বশেষ এ ঘটনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে।