খাগড়াছড়িতে পৃথক ঘটনায় দুইজন নিহত, একে-৪৭ রাইফেলসহ আটক ১
খাগড়াছড়ির রামগড় ও দীঘিনালায় পৃথক ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে রামগড়ের প্রেমতলা এলাকায় যৌথ বাহিনীর সঙ্গে গুলিবিনিময়ে ইউপিডিএফ (প্রসীত) গ্রুপের এক কর্মী নিহত হয়েছেন। একই ঘটনায় একে-৪৭ রাইফেলসহ আরও একজনকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামগড় উপজেলার প্রেমতলা এলাকা থেকে ইউপিডিএফ সদস্য ববিন ত্রিপুরার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় মংসানু মারমা নামে একজনকে একে-৪৭ রাইফেলসহ আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
আরও পড়ুন: কালীগঞ্জে আ. লীগ নেতাকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৮
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সকালে প্রেমতলা এলাকায় অভিযান চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ সময় ইউপিডিএফ সদস্যরা গুলি ছুড়লে আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালানো হয়। এতে ববিন ত্রিপুরা নিহত হন। ঘটনাস্থল থেকে একটি একে-৪৭ রাইফেলসহ মংসানু মারমাকে আটক করা হয়।
রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজির আলম জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে।
আরও পড়ুন: উলিপুরে গাক এনজিওর বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও জালিয়াতির অভিযোগ: ক্ষুব্ধ গ্রাহক
অন্যদিকে, দুপুর ১টার দিকে দীঘিনালা উপজেলার বাবুছড়া ইউনিয়নের মুড়োগড়া এলাকায় জেএসএস ও ইউপিডিএফ (প্রসীত) গ্রুপের মধ্যে কথিত বন্দুকযুদ্ধে সুজন চাকমা নামে একজন নিহত হন।
দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার জানান, দুটি সশস্ত্র গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে।
তবে গোলাগুলির ঘটনা অস্বীকার করে ইউপিডিএফ (প্রসীত) গ্রুপের সংগঠক অংগ্য মারমা এ ঘটনাকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করেছেন।





