গাজীপুরে মহাসড়ক অবরোধ, সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে শ্রমিকদের সরাল পুলিশ

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১:৩৮ অপরাহ্ন, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ১:৩৮ অপরাহ্ন, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

গাজীপুরের শ্রীপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা। প্রায় এক ঘণ্টা সড়ক বন্ধ থাকার পর শিল্প পুলিশের ছোড়া সাউন্ড গ্রেনেডের মুখে অবরোধ ছেড়ে সরে যান তাঁরা। পরে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে শ্রীপুর উপজেলার মুলাইদ গ্রামের এমসি বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিক্ষোভে অংশ নেন ‘সি স্টেজ বিডি লিমিটেড’ কারখানার শ্রমিকেরা।

আরও পড়ুন: চুয়াডাঙ্গায় যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

শ্রমিকদের অভিযোগ, সেপ্টেম্বর মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে আগের দিন বিক্ষোভ করলে কারখানা কর্তৃপক্ষ প্রথমে মঙ্গলবার বেতন দেওয়ার আশ্বাস দেয়। পরে সেই সময় পরিবর্তন করে বুধবার পরিশোধের কথা জানানো হয়। কিন্তু বুধবারও বেতন না পাওয়ায় শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ে। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার সকালে কারখানায় হঠাৎ সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলে ক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা মহাসড়কে নেমে অবরোধ শুরু করেন।

শ্রমিকদের অবস্থানের কারণে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের দুই পাশে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। এতে যাত্রী ও চালকদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

আরও পড়ুন: বেড়ায় ব্ল্যাক রাইস ধান চাষে চমক সাদ্দামের

খবর পেয়ে শিল্প পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে। মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বকেয়া বেতন পরিশোধের বিষয়ে সমাধানের প্রস্তাবও দেওয়া হয়। তবে শ্রমিকেরা অবরোধ চালিয়ে গেলে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে পুলিশ কয়েকটি সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

গাজীপুর শিল্প পুলিশ-২-এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন পিপিএম জানান, বকেয়া বেতনের দাবিতেই সি স্টেজ বিডি লিমিটেডের শ্রমিকেরা মহাসড়ক অবরোধ করেছিলেন। তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করে মালিকপক্ষের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হলেও শ্রমিকেরা সড়ক ছাড়েননি। পরে জনদুর্ভোগ কমানো ও যান চলাচল সচল রাখতে সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করা হয়।

পুলিশ সুপার আরও জানান, কারখানা কর্তৃপক্ষ ও মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত বকেয়া বেতন পরিশোধের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া কারখানা থেকে গোপনে যন্ত্রপাতি সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে শ্রমিকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়া গুঞ্জন সঠিক নয় বলেও তিনি জানিয়েছেন।