গোয়াইনঘাটে ভারতীয় বিস্কিট ও ট্রাক জব্দ, আটক ১

Sadek Ali
গোয়াইনঘাট (সিলেট) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৮:২৯ পূর্বাহ্ন, ২৩ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ১:৫৫ অপরাহ্ন, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

সিলেটের গোয়াইনঘাটে চোরাচালানবিরোধী অভিযান চালিয়ে ১৯৫ কার্টন ভারতীয় বিস্কিটবোঝাই একটি ড্রাম ট্রাক জব্দ করেছে সালুটিকর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র। 

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাত ১টা ২০ মিনিটে উপজেলার  তোয়াকুল ইউনিয়নের লাকি গ্রামে আব্দুল হকের স-মিলের সামনের কাঁচা রাস্তা থেকে এসব মালামাল জব্দ করা হয়।

আরও পড়ুন: সরকারের ভুলের দায় বিরোধী দল নেবে কেন: জামায়াত আমির

পুলিশ জানায়, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে ভারতীয় পণ্যবোঝাই একটি ড্রাম ট্রাকের খবর পেয়ে অভিযান চালানো হয়। সালুটিকর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক সনজিৎ চন্দ্র দাসের দিকনির্দেশনায় এসআই মো. শাহাব উদ্দিন খানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। 

এ সময় ট্রাকের কাছে থাকা দুজন পালানোর চেষ্টা করলে জুয়েলকে আটক করা হয়। তবে আনোয়ার পালিয়ে যান।

আরও পড়ুন: বগুড়ার শেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তা নিহত

পরে ট্রাক তল্লাশি করে ১৭৭ কার্টন MALKIST CRACKER BISCUITS ও ১৮ কার্টন OREO CHOCO CREME SANDWICH BISCUIT উদ্ধার করা হয়। এসব কার্টনে মোট ১২ হাজার ৭৮০ প্যাকেট বিস্কিট ছিল। উদ্ধার করা বিস্কিটের আনুমানিক মূল্য ১১ লাখ ৫ হাজার ২০০ টাকা। এ ছাড়া সিলেট মেট্রো-ট-১১-০১৪৯ নম্বরের একটি ২০১৮ মডেলের টাটা টিপার ড্রাম ট্রাক জব্দ করা হয়, যার আনুমানিক মূল্য ১২ লাখ টাকা।

পুলিশের এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, আটক জুয়েল জিজ্ঞাসাবাদে বিস্কিটগুলো ভারতীয় বলে জানান এবং আনোয়ারকে মালামালের মালিক হিসেবে উল্লেখ করেন। তবে পণ্যের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি বলে এজাহারে দাবি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় এসআই মো. শাহাব উদ্দিন খান বাদী হয়ে আটক জুয়েল আহমদ ও পলাতক আনোয়ার মিয়ার বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ২৫বি(১)(বি)/২৫ডি ধারায় গোয়াইনঘাট থানায় এজাহার দাখিল করেছেন। পুলিশের অভিযোগ, শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে ভারতীয় পণ্য বাংলাদেশে এনে বিক্রির উদ্দেশ্যে তাঁরা নিজেদের হেফাজতে রেখেছিলেন।

সালুটিকর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক সনজিৎ চন্দ্র দাস বলেন, চোরাচালান ও অবৈধ পণ্য পরিবহন প্রতিরোধে পুলিশের অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় পলাতক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এবং  পলাতক আনোয়ার মিয়ার গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।