যুক্তরাষ্ট্রে ভারতের শিল্পী ইমনকে চরম হেনস্তা

Shahrier Islam Pallab
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৯:২৭ অপরাহ্ন, ১৮ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ১০:৪৪ অপরাহ্ন, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন ভারতের জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত সংগীতশিল্পী ইমন চক্রবর্তী ও তাঁর বাদ্যযন্ত্রীরা। নিউজার্সিতে দুর্গাপূজার অনুষ্ঠানে অংশ নিতে যাওয়ার পথে ডালাস বিমানবন্দরে আমেরিকান এয়ারলাইনসের কর্মী ও কর্মকর্তাদের আচরণে হেনস্তার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনার পরই সামাজিক মাধ্যমে সরাসরি লাইভে এসে নিজের তিক্ত অভিজ্ঞতা ও ক্ষোভের কথা বিস্তারিত তুলে ধরেন গায়িকা ইমন চক্রবর্তী। বোর্ডিং পাস থাকা সত্ত্বেও বিমানে ওঠতে বাধা দেওয়া প্রসঙ্গে এ সংগীতশিল্পী জানান, নিউজার্সিতে দুর্গোৎসবের নির্ধারিত শোয়ে পারফর্ম করার উদ্দেশে তারা সময়মতো ডালাস বিমানবন্দরে পৌঁছান। কিন্তু বৈধ বোর্ডিং পাস থাকা সত্ত্বেও কোনো স্পষ্ট বা যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়াই বিমান সংস্থার কর্মীরা তাদের বিমানে ওঠতে বাধা দেন। শিল্পীরা যখন এই অহেতুক বাধার কারণ জানতে চান এবং প্রতিবাদ করেন, তখন বিমান সংস্থার স্টাফরা তাদের সঙ্গে অত্যন্ত অভদ্র আচরণ করেন এবং গায়ে হাত দিয়ে ধাক্কা মেরে বোর্ডিং গেট থেকে সরিয়ে দেন বলে জানান ইমন চক্রবর্তী।

আরও পড়ুন: ভাইরাল হওয়ার জন্য কখনো মানহীন কাজ করব না: তাসনুভা তিশা

ইমন ও তার দলের সংগীতশিল্পীদের সঙ্গে থাকা দামি ও পেশাদার বাদ্যযন্ত্র নিয়ে চরম অবহেলা এবং তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা হয়। এমনকি বিমানযাত্রার সময় কোনো বাদ্যযন্ত্র ভেঙে গেলে বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে আমেরিকান এয়ারলাইনস তার দায় নেবে না বলেও সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়। 

এই অনভিপ্রেত ঘটনার কারণে শেষ পর্যন্ত ওই নির্দিষ্ট ফ্লাইটটি মিস করতে বাধ্য হন ইমন ও তার টিম। পরে একটি বিকল্প ফ্লাইটের কথা বলা হলেও সেখানেও অনিশ্চয়তা বজায় রাখা হয়েছিল। একজন শিল্পী ও তার দলের সঙ্গে সুদূর আমেরিকায় এমন চরম দুর্ব্যবহারের ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনসহ তার ভক্ত-অনুরাগীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বিমান সংস্থার বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছেন।

আরও পড়ুন: বাক্‌স্বাধীনতা ও ব্যক্তিস্বাধীনতার গান নিয়ে অ্যাবাউট ডার্কের ‘নিরাকার’

পরে ইমন জানান, তিনি ও তার টিম ফিলাডেলফিয়া পৌঁছেছেন নিরাপদে এবং অনুষ্ঠানের জন্য তৈরি। যদিও ইমনের অভিযোগের জেরে ক্ষোভ সামাজিক মাধ্যমের নেটিজেনরা।