সুনামি সতর্কতা জারি
ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প
ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্পে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। নর্দার্ন মলুক্কা সাগরে আঘাত হানা ৭ দশমিক ৪ মাত্রার এই ভূমিকম্পের পর আশপাশের দ্বীপগুলোতে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়, ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল টারনেট উপকূল থেকে প্রায় ১২০ কিলোমিটার দূরে। কম্পনের তীব্রতায় বিভিন্ন এলাকায় ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
আরও পড়ুন: হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করতে ৩৫ দেশকে নিয়ে বৈঠক আজ
বিবিসি-এর তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় অন্তত একজন নিহত হয়েছেন এবং ভবন থেকে লাফিয়ে পড়ে আরও একজন আহত হয়েছেন। স্থানীয় দমকল বাহিনী উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কম্পনটি এক মিনিটেরও বেশি সময় স্থায়ী ছিল এবং অনেকেই আতঙ্কে ঘর ছেড়ে বাইরে চলে আসেন। কেউ কেউ জরুরি অবস্থায় অসম্পূর্ণ অবস্থায়ই ঘর থেকে বেরিয়ে আসতে বাধ্য হন।
আরও পড়ুন: ট্রাম্পের ভাষণের পরই ইসরায়েলে ইরানের ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
অন্যদিকে, ইউএসজিএস জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল প্রায় ৩৫ কিলোমিটার। প্রাথমিকভাবে এর মাত্রা ৭.৮ ধরা হলেও পরে তা সংশোধন করে ৭.৪ নির্ধারণ করা হয়।
সুনামির ঝুঁকি বিবেচনায় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ টারনেট ও তিদোরসহ আশপাশের এলাকায় মানুষকে সতর্ক অবস্থায় থাকতে এবং প্রয়োজনে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
মার্কিন সুনামি সতর্কতা ব্যবস্থার তথ্য অনুযায়ী, কেন্দ্র থেকে প্রায় ১,০০০ কিলোমিটারের মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন ও মালয়েশিয়ার উপকূলে সুনামির ঝুঁকি রয়েছে।
প্যাসিফিক সুনামি ওয়ার্নিং সেন্টার জানায়, কিছু এলাকায় জোয়ারের স্বাভাবিক উচ্চতার চেয়ে ০.৩ থেকে ১ মিটার পর্যন্ত ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে। এছাড়া জাপানসহ কয়েকটি দেশে কম উচ্চতার ঢেউয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইন্দোনেশিয়া রিং অব ফায়ার অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় এখানে প্রায়ই ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটে।





