ইরানের উপসাগরীয় বন্দর নিয়ে উত্তেজনা: মার্কিন অবরোধ ও পাল্টা হুঁশিয়ারি

Sanchoy Biswas
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ৯:২৯ অপরাহ্ন, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনার মধ্যে ইরানের সব বন্দর অবরুদ্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ডের বরাতে সোমবার (১৩ এপ্রিল) স্থানীয় সময় বিকাল ৫টা ৩০ মিনিট থেকে এ অবরোধ কার্যকর হয়েছে বলে জানা গেছে।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্র জানায়, এই অবরোধ বিশ্বের যে কোনো দেশের পতাকাবাহী জাহাজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে, যদি সেগুলো ইরানের বন্দরের দিকে যাতায়াত করে। একই সঙ্গে ইরানি বন্দরের উদ্দেশে যাওয়া বা সেখান থেকে আসা জাহাজগুলোকে আটকানোর কথাও জানানো হয়।

আরও পড়ুন: ইরানে মার্কিন হামলা স্থগিত, বিশ্ববাজারে কমল তেলের দাম

তবে উপসাগরীয় অন্যান্য দেশের বন্দর এই নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানায়, ওমান উপসাগর ও হরমুজ প্রণালীর পূর্বে আরব সাগরে অবস্থানরত সব দেশের পতাকাবাহী জাহাজের ওপর এ অবরোধ কার্যকর হবে।

আরও পড়ুন: ইরানের সঙ্গে ‘বড় সমঝোতা’, চলতি সপ্তাহেই শান্তিচুক্তি হতে পারে: ট্রাম্প

এতে আরও বলা হয়, অনুমতি ছাড়া নির্ধারিত এলাকায় প্রবেশ বা প্রস্থানকারী জাহাজকে আটক, গতিপথ পরিবর্তনে বাধ্য করা বা জব্দ করা হতে পারে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। বাহিনীটির এক মুখপাত্র একে “অবৈধ” এবং “সামুদ্রিক দস্যুতা” বলে অভিহিত করে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, পারস্য উপসাগর ও ওমান সাগরের সব বন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, নতুবা কোনো বন্দরই নিরাপদ থাকবে না।

উল্লেখ্য, চলমান পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালিতে নৌচলাচল সীমিত থাকায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে প্রভাব পড়েছে বলে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি এই রুটের মাধ্যমে পরিবাহিত হয়।