খোমেনির মৃত্যুবার্ষিকীতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে হুঁশিয়ারি

‘আমৃত্যু লড়াইয়ের’ ঘোষণা ইরানের

Sadek Ali
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ৯:২৪ পূর্বাহ্ন, ০৪ জুন ২০২৬ | আপডেট: ৯:২৪ পূর্বাহ্ন, ০৪ জুন ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ইসলামিক বিপ্লবকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসন থেকে রক্ষায় আমৃত্যু লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী। বুধবার (৩ জুন) দেশটির ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি-র মৃত্যুবার্ষিকী ও খোরদাদ ১৫ গণঅভ্যুত্থান উপলক্ষে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।

ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফ এবং খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর দাবি করেছে, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিভিন্ন সামরিক কর্মকাণ্ড বিশ্ববাসীর সামনে মানবাধিকারের দাবিদারদের প্রকৃত চেহারা উন্মোচন করেছে।

আরও পড়ুন: মার্কিন ও ইসরায়েলি স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলার ব্যাপক প্রস্তুতি

বিবৃতিতে বলা হয়, মিনাবের একটি স্কুলে হামলায় ১৭০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যা তাদের ভাষায় শত শত অপরাধের একটি উদাহরণ মাত্র।

ইরানের সশস্ত্র বাহিনী আরও বলেছে, দেশটি কোনো ধরনের হুমকি বা আগ্রাসনের মুখে পিছু হটবে না। ইসলামি বিপ্লবের আদর্শ রক্ষায় তারা শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামনে আত্মসমর্পণ ছাড়া অন্য কোনো পথ থাকবে না বলেও দাবি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় বড় হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

১৯৮৯ সালের ৩ জুন ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় তেহরানে মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর।

তার মৃত্যুতে ইরানে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হয়েছিল। এছাড়া পাকিস্তান, সিরিয়া, আফগানিস্তান, লেবানন ও ভারতেও বিভিন্ন মেয়াদে রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছিল।

দক্ষিণ তেহরানের বেহেশত-ই জাহরা কবরস্থান-এ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে দাফন করা হয়। বিভিন্ন সূত্রের তথ্যমতে, তার জানাজায় প্রায় এক কোটি মানুষ অংশ নিয়েছিল, যা মানব ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ শোকসমাবেশ হিসেবে বিবেচিত হয়।